• বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২০ ১৪২৯

  • || ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় ওয়াশিংটন পোস্ট নভেম্বরের শেষের দিকে জাপান সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ ভবনে সেমিনারে একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি জনগণের দ্বারপ্রান্তে সেবা নিশ্চিত করতে হবে: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নের স্কোরিংয়ে হাবিপ্রবির দৃশ্যমান উন্নতি

পদ্মা-মেঘনার পানি গড়িয়ে যায়, বিএনপির আন্দোলন দেখা যায় না:কাদের  

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এ দেশে আন্দোলনে জিতলে নির্বাচনেও জেতা যায়। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ১৩ বছর ধরে দেখছি– কোরবানির ঈদের পর, রোজার ঈদের পর আন্দোলন করবেন। দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর যায়; পদ্মা-মেঘনার কত পানি গড়িয়ে যায়; কিন্তু আপনাদের আন্দোলনের সোনার হরিণের দেখা পাওয়া যায় না। ক্ষমতার ময়ূর সিংহাসন দিল্লি দুরস্ত। এখনো অনেক দূরে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে ‘পিতার শোক, কন্যার শক্তি, বাংলার অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোথায় আপনাদের আন্দোলন? আন্দোলনের সোনার হরিণ তো দেখা দিলো না। আন্দোলনের সোনার হরিণ দেখা না দেখা দিলে, ক্ষমতার ময়ূর সিংহাসন কখনো দেখা দেবে না। আন্দোলনে জয় নিয়েই নির্বাচনে যেতে হয়। 

প্রধানমন্ত্রী মানুষের মুক্তির জন্য লড়ে যাচ্ছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব কষ্ট প্রকাশ করে কী করবেন? শেখ হাসিনাকে আল্লাহ ক্ষমতা দিয়েছেন, তিনি ভাগ্যবতী। আল্লাহ এ দেশে একজনকে সৃষ্টি করেছেন স্বাধীনতার জন্য। আরেকজনকে মুক্তির জন্য। শেখ হাসিনা মানুষের মুক্তির জন্য লড়ে যাচ্ছেন। পদ্মা ব্রিজ নিয়ে অনেক অপপ্রচার হলো। সেটি এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। আপনাকে বলবো, পদ্মা ব্রিজ দেখে যাবেন। যেতে তো হবেই, কারণ সামনে নির্বাচন। যতই বলেন, আমরা বুঝি ভেতরে বিশাল মনোনয়ন বাণিজ্য আছে।

অনেকে বাংলাদেশকে শ্রীলংকা বানিয়ে দিতে চায় উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এখনো চল্লিশের কাছাকাছি আমাদের রিজার্ভ। ৪০-৩৯ কাছাকাছি ওঠা নামা করেছে। গত ছয় মাসে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে, এর আগের কখনো ছয় মাসে এ রেমিট্যান্স আসেনি। বৈশ্বিক পরিস্থিতির মূল্য দিতে হচ্ছে আমাদের। রাত দিন জেগে প্রধানমন্ত্রীকে মানুষের কথা ভাবতে হচ্ছে। সরকার প্রধান হয়ে তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। এ কষ্ট দূর করতে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অবশ্যই সুদিন আসবে।

এ সময় ঢাবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন গবেষক, ইতিহাসবিদ ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

Place your advertisement here
Place your advertisement here