• মঙ্গলবার   ২৯ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৯

  • || ০৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
দশ টাকায় টিকিট কেটে চক্ষু পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষ দুর্নীতিবাজদের ফের ক্ষমতায় দেখতে চায় না: হানিফ সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছর পরপর সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে না আগামী অক্টোবরে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি জানানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে দূর থেকে স্বজনদের দেখলেন তারা

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। এই পূজাকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় স্বজনদের এক নজর দেখতে জড়ো হন দুদেশের শত শত মানুষ। এবারের পূজায়ও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। দূর থেকে স্বজনদের দেখেছেন দুই দেশের বাসিন্দারা।

একটি পৌরসভা ও তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে হাকিমপুর উপজেলা গঠিত। উপজেলায় শিশুদের এবং বড়দের বিনোদনের তেমন কোনো পার্ক না থাকায় বিশেষ দিনে সীমান্তের শূন্যরেখায় দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। এ সময় ওই স্থানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সেখানে দুদেশের মাঝে ব্যবধান কাঁটা তারের বেড়া। দর্শনার্থীরা বেড়া থাকায় সরাসরি কথা না বলতে পারলেও দূর থেকে স্বজনদের দেখে শান্তি খুঁজে পান।

বুধবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিন দেখা যায়, দুর্গাপূজার দশমীর দিনে সকাল থেকেই হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় দর্শনার্থীদের ভিড়। এ যেন এক অন্যরকম দৃশ্য। জড়ো হওয়া দর্শনার্থীরা সীমানা ঘেঁষে রেললাইনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। কেউ দূর থেকে দাঁড়িয়ে স্বজনদের সঙ্গে ইশারায় কথা বলেন। বড়দের সঙ্গে ছোটরাও এসেছে এখানে।

কথা হয় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থেকে আসা কৃষ্ণা রানীর সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় আমি প্রথম এলাম। ভারতে আমার নানির সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।’

রাজশাহী থেকে আসা বদিউজ্জামান নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘হিলি বাংলাদেশর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখান দিয়ে দুদেশের মধ্যে বেশ কিছু পণ্য আমদানি করা হয়। এখানে এসে খুব ভালো লাগলো।’

রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন শাকিল হোসেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা শুনেছি বিশেষ দিনে হিলি সীমান্তে বর্ডার খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু এসে দেখলাম তেমন কিছুই নয়। বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে দর্শনার্থীদের বসার জায়গা নেই। খাবারের ব্যবস্থা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নজর দিলে অনেকের উপকার হতো।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবির কয়েক সদস্য বলেন, ‘সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে রয়েছি। দুই দেশের লোকজন দুর্গাপূজায় দুপাশে ভিড় করছেন। তারা স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে স্বজনদের কাছে গিয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় না।’

Place your advertisement here
Place your advertisement here