পশ্চিমা যন্ত্রাংশে আরো ‘শক্তিশালী’ রাশিয়ার সমরাস্ত্র: গবেষণা
– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –
প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০২২
Find us in facebook
ইউক্রেনে চলমান রুশ অভিযানে রাশিয়ার সেনাদের ব্যবহৃত অনেক অস্ত্র অক্ষত কিংবা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় জব্দ করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। সেগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এসব অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হওয়া ৪৫০টির বেশি উপকরণ বা যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে, বিশেষত পশ্চিমা দেশগুলো থেকে এনেছে মস্কো। এমনকি ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর আগেই কয়েক বছরে অস্ত্র তৈরির নানা যন্ত্রাংশ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আমদানি করেছে ক্রেমলিন।
লন্ডনভিত্তিক প্রতিরক্ষাবিষয়ক থিংক ট্যাংক রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট (আরইউএসআই) এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে জব্দ হওয়া রুশ অস্ত্রের অন্তত ২৭টিতে পশ্চিমা যন্ত্রাংশের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসব অস্ত্রের মধ্যে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শুরু করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও রয়েছে।
আরইউএসআই আরো জানিয়েছে, রুশ অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হওয়া যন্ত্রাংশগুলোর দুই–তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানিগুলোর। এ ছাড়াও জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসের কোম্পানির তৈরি যন্ত্রাংশও ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ফেলে যাওয়া রুশ অস্ত্রে পাওয়া গেছে।
আরইউএসআই বলছে, নিজেদের সমরাস্ত্র তৈরিতে অনেক আগে থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আনা মাইক্রোচিপ ও প্রযুক্তি ব্যবহার করছে রাশিয়া। তবে বিষয়টি বুঝতে পশ্চিমা দেশগুলোর বেশ বিলম্ব হয়ে গেছে। ২০১৪ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন ক্রিমিয়ায় হস্তক্ষেপ করলেন, তারপর থেকে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে পশ্চিমারা।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এতে ব্যবহার হওয়া রুশ অস্ত্র তৈরির উৎস সম্পর্কে আরইউএসআই–এর এ গবেষণাকে সবচেয়ে জোরালো ও গভীর অনুসন্ধান বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষক ও অস্ত্র বিশেষজ্ঞ জ্যাক ওয়াটলিং বলেন, ‘অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরিতে রাশিয়া পশ্চিমা যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। এসব অস্ত্র ইউক্রেনে হাজারো সাধারণ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছে।’
এর পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ায় অস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রপ্তানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি দাবি জানিয়েছে আরইউএসআই। প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মতো প্রাত্যহিক ব্যবহারের অনেক গৃহস্থালী পণ্য তৈরিতে পশ্চিমা দেশ ও কোম্পানিগুলোর যন্ত্রাংশ–প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু তাতে সমস্যা নেই। সমস্যা হলো, প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে। এটা বন্ধ করা প্রয়োজন।
অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরিতে রাশিয়া পশ্চিমা যন্ত্রাংশ ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। এসব অস্ত্র ইউক্রেনে হাজারো সাধারণ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছে।
রাশিয়ার ৯এম৭২৭ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উদাহরণ টেনে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এটা রুশ সেনাবাহিনীর হাতে থাকা অত্যাধুনিক একটি অস্ত্র। এটি অনেক নিচ দিয়ে উড়ে গিয়ে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে। ফাঁকি দিতে পারে রাডার। এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আমদানি করা ৩১টি যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেছে রাশিয়া, যার বেশিরভাগই তৈরি করেছে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানি।
একইভাবে রাশিয়ার খ–১০১ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রেও ৩১টি পশ্চিমা যন্ত্রাংশের উপস্থিতি পেয়েছে আরইউএসআই। এসব যন্ত্রাংশ তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল করপোরেশন ও জিলিনক্স। এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
ইনটেল করপোরেশন ও জিলিনক্স জানিয়েছে, তারা অনেক আগে রাশিয়ার কাছে মাইক্রোচিপ ও যন্ত্রাংশ রপ্তানি করেছিল। তবে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোর সঙ্গে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে তারা। মেনে চলা হচ্ছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার শর্ত।
একই কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেমিকন্ডাকটর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যানালগ ডিভাইসেস, টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টস, ইনফিনিয়ন। প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাষ্য, তাদের তৈরি যন্ত্রাংশ দিয়ে বানানো অস্ত্র ইউক্রেনে সাধারণ মানুষের মৃত্যুর কারণ হোক, এটা তারা চায় না। তাই তারা নিষেধাজ্ঞা মেনে রাশিয়ায় যন্ত্রাংশ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে।
২০১৪ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৮০টির বেশি মাইক্রোচিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের আওতায় এসেছে। রাশিয়ায় যন্ত্রাংশ রপ্তানিতে এসব প্রতিষ্ঠানের আলাদা করে লাইসেন্স নিতে হয়। এমনকি সামরিক খাতে ব্যবহার করা হবে না, এমন নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই পণ্য রপ্তানি করা হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এসব প্রতিশ্রুতি মানেনি মস্কো। যার প্রমাণ, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে ফেলে যাওয়া রুশ অস্ত্র।
আরইউএসআই বলছে, নিজেদের সমরাস্ত্র তৈরিতে অনেক আগে থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আনা মাইক্রোচিপ ও প্রযুক্তি ব্যবহার করছে রাশিয়া। তবে বিষয়টি বুঝতে পশ্চিমা দেশগুলোর বেশ বিলম্ব হয়ে গেছে। ২০১৪ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন ক্রিমিয়ায় হস্তক্ষেপ করলেন, তারপর থেকে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে পশ্চিমারা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করেন পুতিন। এই যুদ্ধে হাজারো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। উদ্বাস্তু হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। চলমান যুদ্ধে রুশ বাহিনী ৩ হাজার ৬৫০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিফেন্স কাউন্সিল। এর মধ্যে পশ্চিমা যন্ত্রাংশে নির্মিত ৯এম৭২৭ ও খ–১০১ ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। এতে যেমন বেসামরিক অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তেমনি ধ্বংস হয়ে গেছে শপিং সেন্টার, হাসপাতাল, স্কুলসহ অনেক বেসামরিক স্থাপনা। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের প্রতিবাদে মস্কোর ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা।
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার জেরে মাইক্রোচিপসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছে রাশিয়া। দেশটি ভেবেছিল, জাপান, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সহজেই চিপ আনা যাবে। কিন্তু এসব দেশও যুক্তরাষ্ট্রের পথ ধরে মস্কোর সঙ্গে চিপসহ যন্ত্রাংশ বাণিজ্য গুটিয়ে এনেছে। তাই বিকল্প উৎসের সন্ধান করতে হচ্ছে রাশিয়াকে। আরইউএসআই জানিয়েছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ব্যবসায়ীরা চিপ আমদানিতে হংকংয়ের ওপর ঝুঁকেছেন। তবে এ বিষয়ে রাশিয়া এখনো কিছু জানায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
- ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রের মৃত্যু
- নীলফামারীর শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান শাহিদ ও শ্রেষ্ঠ ইউএনও বেলায়েত
- রাণীশংকৈলে বৈদ্যুতিক শক লেগে এক যুবকের মৃত্যু
- শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে দূর থেকে স্বজনদের দেখলেন তারা
- লোকালয়ে হনুমান, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়
- বর্ষসেরা কোচ ঠাকুরগাঁওয়ের রাহাত
- মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুরের ছোঁয়ায় রঙিন ভক্তরা
- প্রতিবন্ধী স্মৃতির মুখে হাসি ফোটালেন পুলিশ কর্মকর্তা
- গ্যাস পেতে যাচ্ছে রংপুর-নীলফামারীবাসী
- রংপুরে চোরের নেতাসহ সহযোগী আটক
- নতুন প্রধান পেল ৮ সরকারি দপ্তর
- খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকিতে নেই বাংলাদেশ
- সূচক ও লেনদেন বেড়েছে পুঁজিবাজারে
- প্রাথমিকে নিয়োগ পাচ্ছেন ৫৮ হাজার শিক্ষক
- ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাও হজে যেতে পারবেন
- টানেল সড়কে দৃশ্যমান ৫ কিলোমিটার
- তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ব্রুনেইয়ের সুলতান
- আমরা সকলে মিলে দুষ্কৃতকারীদের প্রতিহত করব- আইজিপি
- শেখ হাসিনা আছেন বলেই গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে: কাদের
- প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব
- আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
- শুক্রবার থেকে ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ
- প্রধানমন্ত্রী নভেম্বরে টোকিও সফরে যেতে পারেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- দেশের কয়েকটি স্থানে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
- মিয়ানমার প্রতিনিয়ত বিরক্ত করলে ব্যবস্থা: পরিকল্পনামন্ত্রী
- সাম্প্রদায়িক শক্তি নির্মূলে একযোগে কাজ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
- মিনিকেট নামে কোনো চাল বিক্রি করা যাবে না: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
- ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নের স্কোরিংয়ে হাবিপ্রবির দৃশ্যমান উন্নতি
- জনগণের দ্বারপ্রান্তে সেবা নিশ্চিত করতে হবে: পানিসম্পদ উপমন্ত্রী
- জাতিসংঘ ভবনে সেমিনারে একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব
- তেজপাতা ছিঁড়তে গিয়ে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর
- বর্তমান বাস্তবতায় যা যা দরকার ভারত তার সবকিছুই দিয়েছে: কাদের
- গ্যাস অনুসন্ধান-উত্তোলনে অগ্রাধিকার অব্যাহত রাখা হবে-প্রতিমন্ত্রী
- চায়ের নার্সারি বিরাজোত গ্রাম
- আর কখনোই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে না: কামরুল ইসলাম
- আল্লাহ নিজের রহমতের চাদরে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করছেন: মতিয়া চৌধুরী
- ট্রেনে মার্কিন ডলারসহ কুড়িয়ে পাওয়া লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন যাত্রী
- বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার পাচ্ছে ৪৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
- মর্টার শেল নিক্ষেপ : ‘প্রয়োজনে জাতিসংঘে অভিযোগ জানানো হবে’
- ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে গোড্ডা কেন্দ্রের বিদ্যুৎ দিতে চান আদানি
- দিনাজপুরে তিন দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- `মিথ্যাচার করতে করতে বিএনপি নেতাদের জিহ্বা লম্বা হয়ে গেছে`
- তারাগঞ্জে দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাসের লকারে পাওয়া গেল ৪ গরু
- ক্ষমতা হারিয়ে বিএনপি নেতারা উন্মাদ হয়ে গেছেন: শাহজাহান খান
- তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ব্রুনেইয়ের সুলতান
- সৈয়দপুরে অবমুক্ত হলো খাঁচাবন্দি ৮ মুনিয়া
- রংপুরের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিক উজ-জামান
- খাদ্য নিয়ে হাহাকার নেই, বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ: কৃষিমন্ত্রী



