ব্রেকিং:
পাঁচ বিভাগে পাঁচ বার্ন ইউনিট স্থাপনসহ প্রায় ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
  • বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৮

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধন এখন আরো শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিয়ে মুক্ত হলো কুড়িগ্রামের রাজারহাট এক কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার ধান-চালের বাজার তদারকি জোরদারের নির্দেশ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিট পাচ্ছে ৫ মেডিকেল হাসপাতাল

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে চায় বাংলাদেশ 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

প্রথম দুই টি-২০ হেরে এরমধ্যেই পাকিস্তানের কাছে সিরিজ হাতছাড়া করা  বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন হোয়াইটওয়াশের মুখে। নিজ মাঠে হোয়ইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে জয় পেতে  টাইগাররা।

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-২০তে দুপুর ২টায় পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। অন্য দিকে সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে সিরিজ হারের   প্রতিশোধ হোয়াইটওয়াশ দিয়ে নিতে চায় সফরকারী পাকিস্তান। 

সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ৪ উইকেটে পরাজিত হলেও প্রতিদ্বন্দ্বীরতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে লড়াই করতে পারেনি টাইগাররা। ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।  দ্বিতীয় ম্যাচে ফখর জামানের ৫১ বলে অপরাজিত ৫৭ রানের সুবাদে সহজ জয় পায় পাকিস্তান।

জয়ের ধারায় ফিরতে ব্যর্থ হলে এই ফরম্যাটে ঘরের মাঠে একাধিক ম্যাচ সিরিজে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশের লজ্জা পাবে বাংলাদেশ।
গেল এক মাসের মধ্যে টি-২০তে টানা সাত ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। আর শেষ ১০ ম্যাচের আট ম্যাচে হারের লজ্জা রয়েছে টাইগারদের। যদিও এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের তৃতীয় দীর্ঘতম হারের ধারা এটি। ২০০৭-২০১০ পর্যন্ত দীর্ঘতম টানা ১২ ম্যাচ হেরেছিলো বাংলাদেশ। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ  ২০১৬-১৭ সালে টানা আটটি ম্যাচ হেরেছিলো বাংলাদেশ। কাল যদি পাকিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয় বাংলাদেশ, তবে যৌথভাবে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টানা ম্যাচ হারবে টাইগাররা। 

এখন পর্যন্ত ১২২টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে ৪৩টিতে জয় ও ৭৭ ম্যাচে হারে টাইগাররা। আর ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।

টি-২০ বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং দুর্বলতা ছিল চোখে পড়ার মত।
দুর্বল অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মত দু’টি সিরিজ জিতলেও বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ ছিল ব্যাটিং।

এমনকি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যাটিং ব্যর্থতা অব্যাহত ছিলো বাংলাদেশের। বাছাই পর্বে স্কটল্যান্ডের কাছে পরাজয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের দুই ম্যাচে বোলারদের পারফরমেন্সে ওমান ও পাপুয়া নিউ গিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে উঠে বাংলাদেশ। এরপর বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে সুপার টুয়েলভে পাঁচ ম্যাচের সবক’টিতে হারে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ হওয়া প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৭ উইকেটে ১২৭ রান ও ৭ উইকেটে ১০৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতা অব্যাহত থাকলে ঘরের মাঠে এক ম্যাচের বেশি কোন সিরিজে প্রথমবারের মত হোয়াইটওয়াশ হবে বাংলাদেশ।

এমন অবস্থায় বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, হারের বৃত্ত থেকে বের হতে ব্যাটারদের জ্বলে উঠতে হবে।

দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহ বলেন, আমি মনে করি গত পাঁচ-ছয় মাস আমাদের বোলিং ইউনিট অসাধারণ করেছে।  পেস এবং স্পিন উভয় বিভাগই ভালো করেছে। তবে ব্যাটারদের জ্বলে উঠতে হবে।

এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা চার ম্যাচ জিতেছে পাকিস্তান। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৪ ম্যাচের মধ্যে ১২টিতে জয় পেয়েছে পাকিস্তান।

সদ্য শেষ হওয়া টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে পাকিস্তান। সিরিজ শুরুর আগে বাবর জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপের পারফরমেন্স, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে সেই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখাই লক্ষ্য।

প্রথম দুই ম্যাচে, নিজেদের পারফরমেন্স অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তান। এখন শেষ ম্যাচে জয়ী হয়ে সিরিজ শেষ করার প্রত্যাশায় বাবর।

তিনি বলেন, দলের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ছেলেরা ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখায় আমি খুশি। আমরা মাঝের ওভারগুলোতে ভালো বল করছি, ভালোভাবে শেষ করছি। আশা করি, আমরা এটি অব্যাহত রাখতে পারবো।

বাংলাদেশ শেষ দুই ম্যাচে অপরিবর্তিত রেখেছিল একাদশ। তবে শেষ ম্যাচে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। মুস্তাফিজুর রহমানের ইনজুরি থাকায় শেষ ম্যাচে অনিশ্চিত তিনি। তবে শেষ ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছেন ওপেনিং ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন ও ফাস্ট বোলার কামরুল ইসলাম রাব্বি।

বাংলাদেশ দল :

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নাইম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, সাইফ হাসান, ইয়াসির আলি চৌধুরি, শহিদুল ইসলাম, আকবর আলী, পারভেজ হোসেন ইমন এবং কামরুল ইসলাম রাব্বি। 

Place your advertisement here
Place your advertisement here