ব্রেকিং:
পাঁচ বিভাগে পাঁচ বার্ন ইউনিট স্থাপনসহ প্রায় ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
  • বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৮

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধন এখন আরো শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিয়ে মুক্ত হলো কুড়িগ্রামের রাজারহাট এক কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার ধান-চালের বাজার তদারকি জোরদারের নির্দেশ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিট পাচ্ছে ৫ মেডিকেল হাসপাতাল

খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিএনপিতে চলছে ছিনিমিনি খেলা 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

দলীয় চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও মুক্তি নিয়ে নিজ দল বিএনপিতেই চলছে ছিনিমিনি খেলা। রাজনীতির সঙ্গে বিগত সাড়ে তিন বছর ধরে কোনো সম্পর্ক নেই খালেদার। আর এ সুযোগে দলের নেতাকর্মীরই তাকে নিয়ে নানা খেলায় মেতে উঠেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়া কারাবাসে যাওয়ার সময় বিএনপির নেতারা হুংকার দিয়ে বলেছিলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে তারা কারাগার থেকে বের করে আনবেন। তবে দুর্বল নেতৃত্বসহ সাংগঠনিক নানা টানাপোড়েনের ফলে আন্দোলনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয় বিএনপি। অবশেষে সরকারের অনুকম্পায় শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়ে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ওঠেন খালেদা জিয়া।

এর আগেও কারাগারে থাকা অবস্থায় বিএনপি নেতারা সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার হুংকার দিয়েছিলেন। আর গুলশানের বাসায় ওঠার পর এখন পর্যন্ত বিএনপির এক দফা দাবি খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বের করে আনার। তবে এ প্রক্রিয়ায় সব সময়ই আইনি প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে অহেতুক আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি।

আর এবারও ষড়যন্ত্রের পথেই হাঁটছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে গত শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার বিদেশ যাত্রা নিশ্চিত করতে ৭ ঘণ্টা অনশনের ডাক দেন। তবে অনশন শুরুর দুই ঘণ্টার মধ্যেই সব নেতা খাওয়া শুরু করেন। এটা প্রমাণ করে যে, বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার মুক্তির ইস্যুতে খুব একটা সরব নন।

এসবের ফলে প্রশ্নও উঠেছে, বিএনপি কি খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন থেকে সরে গিয়েছে কিনা। অপরদিকে বিএনপির রুহুল কবির রিজভীপন্থী নেতারা অনশন কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে ভিন্ন একটি কর্মসূচি পালন করেন, যা ছিল নিরপেক্ষ নির্বাচনের কর্মসূচি।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবীরা বলেন, ১৮ নভেম্বর বিএনপির একটি পক্ষ খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে মাঠে নামার হুংকার দেয়। ১৯ নভেম্বর অন্য পক্ষ খালেদা জিয়াকে ভুলে গিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ডাক দেয়। বিষয়টি প্রমাণ করে যে, বিএনপিতে দুই নীতি বিদ্যমান। দলের একটি পক্ষ খালেদাপন্থী। আর অপরপক্ষ তারেকপন্থী। 

তারা আরো বলেন, এভাবে দলের চেয়ারপার্সনকে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরাই নানামুখী ছিনিমিনি খেলা খেলছেন। আর এভাবে চলতে থাকলে বিএনপির ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন কখনো বাস্তবে রূপ নেবে না। দিন দিন দলের অবস্থা আরো করুণের দিকেই যাবে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here