ব্রেকিং:
পাঁচ বিভাগে পাঁচ বার্ন ইউনিট স্থাপনসহ প্রায় ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
  • বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৮

  • || ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধন এখন আরো শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিয়ে মুক্ত হলো কুড়িগ্রামের রাজারহাট এক কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার ধান-চালের বাজার তদারকি জোরদারের নির্দেশ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিট পাচ্ছে ৫ মেডিকেল হাসপাতাল

রংপুরে তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরে তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু হয়েছে। ইজতেমায় কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নিচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০১০ সাল থেকে রংপুরে আঞ্চলিক ইজতেমা হয়ে আসছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) ভোর থেকে নগরের রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের পাশে উত্তম হাজীরহাটের রব্বানীর চরে ৬ষ্ঠ বারের মতো এ ইজতেমা শুরু হয়েছে।

ফজরের নামাজের পর আমবয়ান শুরু করে তাবলিগ জামাতের আলেমগণ। কোরআন ও হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে আল্লাহ ও নবী-রাসুলের হুকুম আহকাম মেনে চলার মধ্যেই ইহকাল ও পরকালে সুখ শান্তি রয়েছে বলে উল্লেখ্য করেন তারা।

ইজতেমায় বয়ান করতে রাজধানী ঢাকাসহ ইতোমধ্যে সৌদি আরব ও আফ্রিকা থেকে তাবলিগের মুরুব্বিরা ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। সকাল থেকে স্থানীয় মুরুব্বিরাও বয়ান করছেন। পরবর্তীতে মাশোয়ারার ভিত্তিতে আগত আলেমগণ বয়ানের মাধ্যমে দ্বীনের দাওয়াতে উদ্বুদ্ধ করবেন।

শীত উপেক্ষা করে বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি শামিয়ানার নিচে অবস্থান নেন। এখানে ১২টি খিত্তার নিচে একসঙ্গে ৫০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। 

আয়োজকরা জানিয়েছে, বুধবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকেই রংপুর জেলাসহ আশপাশের এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ ইজতেমা ময়দানে সমবেত হতে শুরু করেছেন। এখানে রংপুর মহানগর ও সদর উপজেলাসহ তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ, গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলার তাবলিগ জামাতের অনুসারীরা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা আসছেন। 

ইজতেমায় অংশ নেওয়া বিদেশি মেহমান, মুরব্বি এবং মুসল্লিদের সেবায় ৪ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া দূরের মুসল্লিদের পরিবহন রাখার জন্য গ্যারেজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠের আশপাশে শতাধিক খাবারের দোকান বসানো হয়। সহস্রাধিক বাথরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

ইজতেমা মাঠসহ আশপাশের এলাকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা নিরাপত্তা গড়ে তুলেছেন। র‌্যাব, পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাসহ পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে চার স্তরের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

Place your advertisement here
Place your advertisement here