• মঙ্গলবার   ২৯ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৯

  • || ০৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
দশ টাকায় টিকিট কেটে চক্ষু পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষ দুর্নীতিবাজদের ফের ক্ষমতায় দেখতে চায় না: হানিফ সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছর পরপর সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে না আগামী অক্টোবরে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি জানানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

করতোয়ায় নৌকাডুবি: ৮ কারণ দেখিয়ে প্রতিবেদন দিল তদন্ত কমিটি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার করতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ৬৯ জন নিহত ও তিনজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। এতে ইজারাদার ও মাঝির অদক্ষতাসহ ৮টি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি তাদের দাখিলকৃত প্রতিবেদনে ঘাটের ইজারাদারের গাফিলতি, অদক্ষ মাঝি, অতিরিক্ত যাত্রী ও নৌকার ত্রুটিসহ ৭-৮টি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে একাধিক সুপারিশও উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তৈরি প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে, তৃণমূল পর্যায়ে সাঁতার প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা, সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো, নিরাপত্তাঝুঁকি বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি, ইজারা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের তদারকি বাড়ানো এবং খেয়া ঘাটগুলোতে আরও উন্নত ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি।

জানা যায়, জেলা পরিষদ থেকে দরপত্রের মাধ্যমে করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট ইজারা নেন আব্দুল জব্বার নামের এক ব্যক্তি। ঘটনার দিন প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করেই ৪৭ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ১০ ফুট প্রস্থের নৌকাটিতে ১০৫ জনের যাত্রী উঠেছিলেন। অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ায় নৌকাটি মাঝপথে গিয়ে উল্টে ডুবে যায়। দুর্ঘটনা দিন নৌকাটি নদী থেকে তুলে আনেন স্থানীয়রা। এসব বিষয়গুলো উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বজনদের দেওয়া তালিকা অনুসারে এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৪৫ জন, আটোয়ারীর দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ের তিনজন, দেবীগঞ্জের ১৮ জন ও পঞ্চগড় সদরের একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ, ৩০ জন নারী ও বাকি ২১ জন শিশু।

এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায়কে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে তিনদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পরে মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানো হয়।

Place your advertisement here
Place your advertisement here