• শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৯

  • || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে গতিশীল রেখেছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল পেলেন ২ বাংলাদেশি নীলফামারীতে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে দৈনিক ১০ কোটি টাকার লেনদেন ‘গুপ্তধন পেতে জিনের বাদশাহকে ৮ লাখ টাকা দিয়েছি’

কাউনিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ মে ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরের কাউনিয়ায় জমির সীমানা নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আঞ্জুয়ারা বেগমের (১২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে, সোমবার (৯ মে) বিশ্বনাথ গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আঞ্জুয়ারা উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথ গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের আব্দুল হামিজের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুল হাকিমের জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। একপর্যায়ে সীমানার একটি গাছ কেটে নেন হাকিম। এতে গাছের মালিকানা নিয়ে সন্দেহ হলে হামিজ ও তার স্বজনেরা সোমবার বিকেলে ওই জমির সীমানা নির্ধারণ করতে যান। এতে হাকিম বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষ বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে হামিজসহ তার পক্ষের ছয়জন এবং হাকিমের পক্ষের তিনজন আহত হন। পরে হামিজসহ তার পক্ষের ছয়জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আঞ্জুয়ারা ও হামিজের স্ত্রী আমেনাকে (৫০) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর ৩টার দিকে আঞ্জুয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় হামিজের চাচাতো ভাই সোলেমান আলী বাদী হয়ে সোমবার রাতে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদার রহমান বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here