• বৃহস্পতিবার   ০৭ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৯

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত ৭টায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল মা-মেয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে লোডশেডিংয়ের রুটিন করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ডিভাইস আমরা রপ্তানি করব: প্রধানমন্ত্রী

রমেকে চিকিৎসাধীন দগ্ধ আরও ১ নারীর মৃত্যু

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা এক বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বৃদ্ধার ছেলে আরিফ হোসেন ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওই নারীর নাম আবেদা বেগম (৬০)। তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গোবিন্দ নগর মুন্সিরহাট গ্রামের মৃত মোস্তফার স্ত্রী। 

দগ্ধ আবেদা বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী অধ্যাপক ডা. এম এ হামিদ পলাশ।

তিনি বলেন, শীত নিবারণ করতে গিয়ে খড়কুটোর আগুনে দগ্ধ হয়েছিলেন আবেদা বেগম। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে শ্বাসনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাকে আর বাঁচানো যায়নি। চলতি বছরে শীত মৌসুমে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ রোগীদের মধ্যে এটি দ্বিতীয় মৃত্যু।

এর আগে বুধবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে তীব্র শীতে পাশের বাসায় আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হন তিনি। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঠাকরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক বৃদ্ধাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
 
বর্তমানে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ২৪ জন দগ্ধ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসাধীন দগ্ধ রোগীদের মধ্যে এক বৃদ্ধাসহ আরও দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) শামসুন্নাহার বেগম নামে আরেকজন মারা গেছেন।

অধ্যাপক এম এ হামিদ পলাশ আরও জানান, চিকিৎসাধীন বেশির ভাগ রোগীই শীতের তীব্রতা থেকে উষ্ণতা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়েছেন। প্রতি শীত মৌসুমে রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিদগ্ধের এমন ঘটনা ঘটে। বর্তমানে বার্ন ইউনিটসহ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গত বছর শীত মৌসুমে ২৫ জনের বেশি নারী ও শিশু দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শুক্রবার রংপুর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশা শীতের তীব্রতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। চলতি মাসেই কয়েকটি শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। 

Place your advertisement here
Place your advertisement here