• বৃহস্পতিবার   ০৭ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৯

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত ৭টায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল মা-মেয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে লোডশেডিংয়ের রুটিন করার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ডিভাইস আমরা রপ্তানি করব: প্রধানমন্ত্রী

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

ভারী বর্ষণসহ উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার চরসহ নিম্নাঞ্চলে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা চরে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধটি বিলীন হয়ে গেছে, ভেঙে গেছে ছয় পরিবারের ঘরবাড়ি। তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে আজ রবিবার সকালে বিপৎসীমার (২৫ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জনপ্রতিনিধিরা জানান, সকাল থেকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে গঙ্গাচড়ার লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলী, শংকরদহ, বাগেরহাট আশ্রয়ন ও পূর্ব ইচলী এলাকায় এক হাজার পরিবার, কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা, মটুকপুর, চিলাখাল, খলাইরচরসহ নিম্নাঞ্চলে দেড় হাজার, নোহালী ইউনিয়নের মিনারবাজার, কচুয়া, বৈরাতী, চর নোহালী ও বাগডহরা চরের ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ ছাড়া মর্নেয়া ইউনিয়নের মর্নেয়া, তালপট্টি, আলাল চর ও নরশিং এলাকায় ৫০০ পরিবার, গজঘণ্টা ইউনিয়নের কালির চর, ছালাপাক, গাউছিয়া বাজার, জয়দেব, রামদেব এলাকায় ৫০০ পরিবার, আলমবিদিতর ও গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের তিস্তা বেষ্টিত নিম্নাঞ্চলে ৫০০ পরিবার পানিবন্দি।

সরেজমিনে আজ দুপুরে নদীপারে গিয়ে দেখা যায়, চলমান লকডাউনে ভাতের টান পড়েছে অভাবের পরিবারগুলোতে। তার ওপর তিস্তাপারে সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দি পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

বাগেরহাট আশ্রয়নের বাসিন্দা জরিনা বেগম, হালিমা বেগম ও রুজিনাসহ অনেকেই জানান, পানিবন্দি হয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন তারা। কোন ত্রাণ সহায়তা পাননি।

কেল্লার পার এলাকার মহির উদ্দিন বলেন, কষ্ট হইলেও পানিবন্দি হয়ে কোনরকমে থাকা যায়, কিন্তু বাড়ি ভাঙি গেইলে ওই পরিবারের আর কিছু থাকে না।

পশ্চিম ইচলী এলাকার মতিবার রহমান, আব্দুল মালেক ও বাবলু মিয়া বলেন, পানিবন্দি অবস্থায় খুব কষ্টে আছি। 

লক্ষিটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, তার ইউনিয়নের এক হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত আছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন। 

কোলকোন্দ ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে ভাঙন দেখা দেওয়ায় বিনবিনা চরে গতকাল ছয় পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। তিনি ভাঙন রোধসহ পানিবন্দি পরিবারগুলোর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তার দাবি জানান। 

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলীমা বেগম জানান, পানিবন্দি পরিবারের জন্য ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের অনুকুলে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here