• মঙ্গলবার   ০৯ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশকে আরো ১৫ লাখ টিকা দিলো যুক্তরাষ্ট্র মালয়েশিয়ায় গেল বাংলাদেশি ৫৩ কর্মীর প্রথম ফ্লাইট অনেকটা নিরুপায় হয়েই জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছে সরকার: জয় আওয়ামী লীগ বিএনপির ওপর কোনো অত্যাচার করেনি: তোফায়েল আহমেদ

বিএনপির ওয়ার্ড কাউন্সিল নিয়ে বিতর্ক, বিব্রত ফখরুল

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

অনিয়মের কাউন্সিলে সহায়তা না করার দাবিতে সম্প্রতি শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মী দলের মহাসচিবের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। তবে মহাসচিব দেখা না করায় নেতাকর্মীরা ফিরে যান।  তবে এসব নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন মির্জা ফখরুল।

সম্প্রতি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির অধীনে ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি যাননি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, মহাসচিব শারীরিকভাবে অসুস্থ, সেজন্য সম্মেলনে যাননি। তবে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ওয়ার্ড কাউন্সিল নিয়ে নেতাকর্মীদের দ্বন্দ্বে বিব্রত ফখরুল। তাই অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই তিনি সম্মেলনে যোগ দেননি।

সাবেক ডেমরা ইউনিয়ন বিএনপির (বর্তমান ৭০ নম্বর ওয়ার্ড) সভাপতি আবদুল আশা শাহিন বলেন, আমরা ডেমরার ৫টি ওয়ার্ডের শতাধিক নেতাকর্মী উত্তরায় মহাসচিবের বাসার সামনে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলেও তিনি বাসা থেকে বের হননি। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমরা ফিরে আসি। আমাদের অবস্থানের কারণেই হয়তো মহাসচিব সম্মেলনে যাননি।

তিনি আরো বলেন, সম্মেলনে বিএনপির ত্যাগী নেতাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেক কর্মীকে কাউন্সিলর বানানো হয়নি। ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে অনেককেই কাউন্সিলর বানানো হয়েছে। এখন আমাদের দল থেকে পদত্যাগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

বিএনপির এই নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি নবী উল্লাহ নবী মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আমরা তখন তার পক্ষে কাজ করেছি। আবার উপ-নির্বাচনে সালাহ উদ্দিন আহমেদ মনোনয়ন পেয়েছিলেন, তখন তার পক্ষে কাজ করেছি। আমরা সালাহ উদ্দিন আহমেদের পক্ষে কাজ করার কারণে সম্মেলনে আমাদের রাখা হয়নি। কারণ দীর্ঘদিন ধরে নবী উল্লাহ আর সালাহ উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here