• শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৯

  • || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে গতিশীল রেখেছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল পেলেন ২ বাংলাদেশি নীলফামারীতে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে দৈনিক ১০ কোটি টাকার লেনদেন ‘গুপ্তধন পেতে জিনের বাদশাহকে ৮ লাখ টাকা দিয়েছি’

লালমাই পাহাড়ে কচুর বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে কচুর বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা। লাইমাই পাহাড় কুমিল্লার দর্শনীয় অন্যতম একটি স্থান। কুমিল্লা আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ ও বরুড়া উপজেলা জুড়ে লালমাই পাহাড় অবস্থিত। এ পাহাড়ের বুকে বিভিন্ন সময় শাক-সবজি, ফল-মূল ইত্যাদি উৎপাদন হয়ে আসছে।
চলতি বছরে আগাম বৃষ্টির হওয়ার কারণে লালমাই পাহাড়ে কচুর বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা। 

লালমাই পাহাড়ের স্থানীয় কৃষকদের প্রধান পেশা হলো কচু চাষ করা। একজন চাষি আগে থেকে বলতে পারেন কোন বছর তাদের বাম্পার ফলন হবে। যে বছর বৃষ্টি বেশি হবে, সেই বছর কচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকে। বীজ বপনের সময় প্রথমে কৃষকরা মাটি কেটে জমি প্রস্তুত করে। মাটি কাটা শেষ হলে বীজ বপনের কাজ শুরু হয়। বীজ বপন করতে হয় এক হাতের (১৮ ইঞ্চি) মধ্যে তিনটি। প্রতি শতকে উৎপাদন খরচ হয় ৮০০-১০০০ টাকা। আর তা বিক্রি হয় ১২০০-১৫০০ টাকায়। শতকে উৎপাদন হয়ে থাকে ৩-৪ মণ। কৃষকরা এ পেশার অর্থ উপার্জন দিয়ে সংসার, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া ও ভরণপোষণ করে থাকেন।

সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি অফিসারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ৪০ হেক্টর জমিতে কচু চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি হেক্টর জমিতে কচুর উৎপাদন হবে ২০ টন। ৪০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হবে ৮০০ টন। এক সময় এ লালমাই পাহাড়ের কচু দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হতো।

লালমাই পাহাড় এলাকার কৃষক রমিজ উদ্দিন জানান, পাহাড়ে পানি সেচ দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা না থাকার কারণে ফসলের জন্য বৃষ্টির উপর নির্ভর করতে হয়। যেহেতু এ বছর আগাম বৃষ্টি হয়েছে তাই আমরা বেশি ফলনের আশা করছি।

অপর কৃষক হরিচন্দ্র পাল জানান, আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত যদি অনুকূলে থাকে তাহলে এবার কচুর বাম্পার ফলন হবে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, আমরা স্থানীয় কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকি। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পাহাড়ে কচুর বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here