• শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৯

  • || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে গতিশীল রেখেছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল পেলেন ২ বাংলাদেশি নীলফামারীতে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে দৈনিক ১০ কোটি টাকার লেনদেন ‘গুপ্তধন পেতে জিনের বাদশাহকে ৮ লাখ টাকা দিয়েছি’

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে এসওপি’র আওতায় আনা হচ্ছে: ভূমি সচিব 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, দুর্নীতির সুযোগ কমাতে মাঠ পর্যায়ে ভূমি কর্মকর্তাদের বিবেচনামূলক ক্ষমতা কমিয়ে ভূমি ব্যবস্থাপনাকে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি)’র আওতায় আনা হচ্ছে। এতে ভূমি সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সুযোগ বহুলাংশে কমে যাবে।

মোস্তাফিজুর রহমান শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওস্থ এফডিসির মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ভূমি ব্যবস্থাপনায় জন-অংশগ্রহণ ও সুশাসন’ শীর্ষক এক ছায়া-সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ভূমি সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় ৩১টি দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। ভূমি মন্ত্রণালয় সেই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সুবিধার্থে ১৬১২২ নম্বরে ফোনযোগে খতিয়ান (পর্চা) ও জমির ম্যাপের আবেদন এবং ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের সুবিধার মতোই ফোনে নামজারির আবেদনের সুযোগও তৈরি করা হচ্ছে। এতে ডিজিটাল ভূমিসেবা গ্রহণে স্মার্ট ফোন কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজনও নেই।

তিনি আরো বলেন, জমির যেসব দলিলাদি এরই মধ্যেই সরকারি অফিসে আছে- এ পদ্ধতিতে তাও আলাদা করে আর জমা দিতে হবে না। এতে নামজারি করা আরো সহজ হবে।

ভূমি সচিব বলেন, ভূমি অপরাধ আইনের খসড়া তৈরি প্রায় শেষ এবং মতামতের জন্য শিগগিরই তা উন্মুক্ত করা হবে। 

ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান ভূমি সচিব।

এক প্রশ্নের জবাবে ভূমি সচিব জানান, সরকারি নীতির কারণে ভূমিসেবা হটলাইন-১৬১২২ এখনই টোল-ফ্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। কেননা ভূমি বিষয়টি জরুরি সংকটময় সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়।

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও বিরোধীদল হিসেবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে ট্রফিসহ অন্যান্য সনদপত্র বিতরণ করেন ভূমি সচিব।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ধরিত্রী কুমার সরকার, জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক বিএম জাহাঙ্গীর এবং আলমগীর স্বপন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Place your advertisement here
Place your advertisement here