ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুসরণ করে করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ২৫০টি ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করেছে
  • রোববার   ২৫ জুলাই ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১০ ১৪২৮

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শুরু ২৮ জুলাই ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প আসছে বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের সম্পদের হিসাব দিতে হবে, বিধিমালা কার্যকরে উদ্যোগ দেশের মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তায় হচ্ছে পুষ্টি বাগান পশুর নাড়ি-ভুঁড়ি রফতানি করে বছরে আয় ৩২০ কোটি টাকা

দফতরে ফিরতে রিজভীর প্রধান বাধা ফখরুল

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ জুলাই ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রচলিত আছে দলের কার্যক্রম পরিচালিত হয় দুই জায়গা থেকে। গুলশানে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে বিবৃতি দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিবৃতি দেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই দিনে এক বিষয়ে ফখরুল-রিজভীকে কথা বলতেও দেখা গেছে অনেক বার।

বিএনপিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে এই দুই নেতার মধ্যে প্রতিযোগিতা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। তবে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে রিজভীকে আর নয়াপল্টনে দেখা যাচ্ছে না। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িতেও ফিরেছেন। কিন্তু আর নয়াপল্টনে ফিরতে পারছেন না, বরং সেখানে রিজভীর জায়গায় সংবাদ মাধ্যমে এখন নিয়মিত কথা বলছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

রিজভী সুস্থ হলেও কেন নয়াপল্টনে ফিরছেন না, বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিতে গেলে বেরিয়ে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। জানা গেছে, মূলত মির্জা ফখরুলের জন্যই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফিরতে পারছেন না রিজভী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনার শুরু থেকেই নিজেকে সুরক্ষিত রেখে নিয়মিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলন করে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল। এদিকে মাঠে নেমে করোনায় আক্রান্ত হন রিজভী। আর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মাত্র সুযোগ লুফে নেন মির্জা ফখরুল। লন্ডনে থাকা তারেক রহমানকে বুঝিয়ে নয়া পল্টনে নিজের অনুসারী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে দায়িত্বে নিয়ে আসেন।

এখন রিজভী সুস্থ হয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসতে চাইলেও মির্জা ফখরুল নানাভাবে তা প্রতিহত করছেন। তারেক রহমানকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে প্রিন্স সম্পর্কে আস্থাবান করেও তুলেছেন মির্জা ফখরুল। এতে অনেকটা সফলও তিনি। ফলে ফুরফুরে মেজাজে আছেন ফখরুল।

এদিকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্ব হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় আতঙ্কে পড়েছেন রিজভী। ভাবছেন বিএনপিতে তার কর্তৃত্ব বুঝি শেষ হয়ে গেল। তাই আগের দায়িত্বে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

জানতে চাইলে রিজভীর এক ঘনিষ্ঠ স্বজন বলেন, দলের অনেক নেতা ঘরে বসে মিডিয়ায় কথা বলে কাজ শেষ করছেন। কিন্তু রিজভী সাহেব করোনার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলের জন্য কাজ করে গেছেন। আক্রান্ত হয়েও দমে যাননি। এখন সুস্থ হলেও তাকে আগের দায়িত্বে ফিরতে দিচ্ছেন না, বাসায় বসে রেস্ট নিতে বলছেন। যদি তারেক রহমান কারো কথায় ভুল বুঝে থাকেন, তাহলে সেটা দলেরই ক্ষতি।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, রিজভী সাহেব তো এখন সুস্থ। তাকে নয়া পল্টনে আসতে দিচ্ছে না কেন বিষয়টি বোধগম্য নয়। তবে শুনেছি, তাকে আসতে না দেওয়ার পেছনে ফখরুল সাহেবের হাত আছে। খারাপ সময়ে নিজেদের আধিপত্যের জন্য যদি কেউ দলের ক্ষতি করেন তাহলে কিছু বলার থাকে না। এসব নিয়ে তারেক রহমানের সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here