ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুসরণ করে করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ২৫০টি ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করেছে
  • সোমবার   ২৬ জুলাই ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১০ ১৪২৮

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শুরু ২৮ জুলাই ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প আসছে বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের সম্পদের হিসাব দিতে হবে, বিধিমালা কার্যকরে উদ্যোগ দেশের মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তায় হচ্ছে পুষ্টি বাগান পশুর নাড়ি-ভুঁড়ি রফতানি করে বছরে আয় ৩২০ কোটি টাকা

লোকসানের আশঙ্কা করছেন হাঁড়িভাঙা আমচাষিরা 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

বিধিনিষেধের কারণে হাঁড়িভাঙা আম নিয়ে বিপাকে পড়েছেন রংপুরের আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা। পহেলা জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরুর পর হঠাৎ স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় হাঁড়িভাঙার দর তিতে হতে থাকে। যানবাহনের চলাচল বন্ধ থাকার প্রভাব পড়ে জেলার পাইকারি হাট-বাজারগুলোতে। কমতে থাকে ক্রেতা ও পাইকারদের আনাগোনা।

কৃষি বিপণন অধিদফতর বলছে, অনলাইনে সাড়া থাকলেও কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে পারছেন না। এ কারণে লোকসানের আশঙ্কা করছেন আমচাষিরা। তবে পরিবহন ও বিপণন ব্যবস্থায় যাতে প্রভাব না পড়ে, এ জন্য তদারকি বাড়ানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার বৃহৎ আমেরহাট মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ ছাড়াও নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, লালবাগ ও সিটি বাজারসহ হাঁড়িভাঙার বিভিন্ন আড়তগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না বলে অভিযোগ আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের।

আমচাষিরা বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ভ্যান বা অন্য বাহনে করে আম নিয়ে এসে বিক্রি করছেন পাইকারি দরে। কেউবা আবার বাগানের কাছে রাস্তার ধারে আমের ক্যারেট সাজিয়ে বসে আছেন পাইকারদের আশায়। তবে পদাগঞ্জ হাটের কাদাটে পিচ্ছিল পথ ও নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব পড়েছে আমের বাজারে।পদাগঞ্জ হাটে যেতে বাড়ির পাশে রাস্তার ধারে বসে থাকা আজিজুল ইসলামের সঙ্গে কথা হয়। তার চার বিঘা জমিতে রয়েছে হাঁড়িভাঙার বাগান। কিন্তু পাইকার না পাওয়ায় এবার নিজেই বাগান থেকে আম পেরে ক্যারেটে ভরিয়ে হাটে-বাজারে বিক্রি করছেন।

এক আমচাষী বলেন, বর্তমানে আমের মণ ১ হাজার থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ২৪০০ টাকা পর্যন্ত যাচ্ছে। তবে লকডাউন শুরুর দিকে দাম কম ছিল। দুই-তিন দিন থেকে মণ প্রতি বাজারে ১৫০/৩০০ টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ রকম বাজার থাকলে একটু হলেও লোকসান কম হবে।

রংপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, এবার মিঠাপুকুর উপজেলার আখিরাহাট, পদগঞ্জ, মাঠেরহাট, বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুরসহ বেশ কিছু এলাকাতে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে সব জাতের আমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে জেলায় হাড়িভাঙা আমের ফলন ধরা হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টন। যার আনুমানিক মূল্য ২০০ কোটি টাকার ওপর।

রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসান জানালেন, আমচাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পরিবহনে সহায়তা করা হচ্ছে। আম ব্যবসায়ীসহ খুচরা ও পাইকাররা কোনো বাধা ছাড়াই পরিবহন সুবিধা পাচ্ছে। আমরা লকডাউনে আমসহ কৃষিপণ্যের পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও বলেছি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here