ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজে (রমেক) ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে ২৬ জন, কুড়িগ্রামে ১৪ জন, লালমনিরহাটে ১৩ জন ও গাইবান্ধায় ৭ জন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ একেএম নুরুন্নবী লাইজু। গত ২৪ ঘণ্টায়   দেশে করোনাভাইরাসে আরো ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮৫১ জন।
  • শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ গণতন্ত্রী পার্টির সাবেক সভাপতি, রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহম্মদ আফজালের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী অর্থনীতির সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে, ২০২২-এ অস্ট্রেলিয়ায় মুজিববর্ষেই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনীদের ফিরিয়ে আনা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন
২৯

রানিশংকৈলে সড়কের বেহাল দশা: ভোগান্তিতে ৫শ’ পরিবার

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

ঠাকুরগাঁওয়ের রানিশংকৈল উপজেলার আরডিআরএস মোর থেকে হাজীপাড়া পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশায় জনদূর্ভোগ চরমে পৌছেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ভারি বর্ষণ হওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের সু-ব্যবস্থা না থাকায় সড়কটিতে সৃষ্টি হয়েছে বড় দুটি গর্তের। এতে সড়কটি দুটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দু’পাশের প্রায় ৫শ পরিবার।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণ সন্ধ্যারই ও হাজিপাড়া শেখ রাসেল স্টেডিয়ামসহ হোসেনগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাতায়াতের একমাত্র এ সড়কটি একমাস যাবত এভাবেই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অভিযোগের সুরে এমনটাই জানা গিয়েছে স্থানীয়দের মুখ থেকে।

তারা জানান, এক মাস আগে প্রচন্ড বৃষ্টিপাতের কারণে পানির স্রোতে পাকা সড়কটি ভেঙ্গে গিয়ে দুটি স্থানে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে এবং দুটিতেই সড়কটি একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে । এতে পথচারীদের যেমন সমস্যা হচ্ছে অপরদিকে দুট গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারও বিচ্ছিন্ন জীবন যাপন করছে। মেয়র বা স্থানীয় কাউন্সিলরদের কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা এটি মেরামতের।

মোবারক নামের এক সবজি ব্যাবসায়ী জানান,  গত একমাস যাবত রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা যায় না। বিকল্প পথে অনেক দুর দিয়ে ঘুরে বাজারে যেতে হয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এমনিতেই বাজারে বসার সময় পাই থুবই কম তার ওপর আবার যাতায়াতের এ অবস্থা। তবুও আমাকে সময় অপচয় করে অনেকটা রাস্তা ঘুরে যেতে হয় সবজি বিক্রি করতে। রাস্তাটির মেরামতের দ্রুত কোন পদক্ষেপ নিলে আমার মত অন্যান্য ব্যাবসায়ী ও দু গ্রামের মানুষরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।

পৌর কাউন্সিলর সাদেকুল জানান, সড়কটিতে আপাদত মেরামত করতে প্রচুর পরিমাণে রাবিস মাটি ও খোয়া লাগবে। বিষয়টি আমাদের মেয়রকে জানিয়েছি। তবে আমার করার কিছুই নাই। 

এবিষয়ে পৌর মেয়র আলমগীর সরকারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here