• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ছুটির দিনে গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শোক দিবসে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: আইজিপি বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গম রফতানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিল্প-কারখানায় এলাকাভেদে সাপ্তাহিক ছুটি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

উত্তরাঞ্চলে প্রতিবছর ৫৬ লাখ মেট্রিক টন ধান উদ্বৃত্ত

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলে প্রতিবছর আমন, আউস ও বোরো ফসলের উৎপাদন হয় ১ কোটি সাড়ে ২২ লাখ মেট্রিক টন। মোট উৎপাদন থেকে চাহিদা বাদ দিয়ে এক বছরে এ অঞ্চলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকছে ৫৬ লাখ মেট্রিক টনের ওপর। এর পরেও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রতিটি ফসল ওঠার মৌসুমে একটি সিন্ডিকেট মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের থেকে কমদামে খাদ্য শস্য ক্রয় করে মজুদের পাহাড় গড়ে মুনাফা লুটছে। সরকার মজুদ বিরোধী অভিযানের ঘোষণা দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে এবারও বোরো মৌসুমেও কৃষকদের ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উত্তরের ১৬ জেলায় মোট আবাদ যোগ্য জমির পরিমান হচ্ছে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৫৪ হেক্টর। এর মধ্যে রংপুর অঞ্চলে ১২ লাখ ৯৮ হাজার হেক্টর এবং রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় সোয়া ১৪ লাখ হেক্টর। উত্তরাঞ্চলে মোট জন সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। এর মধ্যে ১১ শতাংশ রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধ এবং খাদ্য গ্রহণে অনুপযোগী। এই ১১ শতাংশ বাদ দিলে উত্তরাঞ্চলে খাদ্য গ্রহণকারী জনসংখ্যা হচ্ছে ৩ কোটির কিছু ওপরে। একজন মানুষ প্রতি দিন ৪৫৩ দশমিক ০৬ গ্রাম খাদ্য গ্রহণ করতে পারে। সেই হিসেবে এ অঞ্চলের মানুষের প্রতি বছর খাদ্যের চাহিদা হচ্ছে প্রায় ৬০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে রংপুর অঞ্চলের খাদ্য চাহিদা হচ্ছে ২৯ লাখ ৭৫ হাজার ৪১১ মেট্রিক টন এবং রাজশাহী অঞ্চলের চাহিদা হচ্ছে ৩০ লাখ ২৬ হাজার ৬শ মেট্রিক টন। রংপুর অঞ্চলে উদ্বৃত্ত থাকছে প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন এবং রাজশাহী অঞ্চলে উদ্বৃত্ত থাকছে প্রায় ৩০ লাখ মেটিক টন। এই উদ্বৃত্ত খাদ্য এ অঞ্চলের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহদেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

রংপুর সদরের কৃষক গৌরাঙ্গ মহন্ত, কাউনিয়ার আফজাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মিঠাপুকুরের আশরাফুল ইসলামসহ অনেকেই জানালেন, বর্তমানে বাজারে বোরো ধান ৮০০ থেকে সাড়ে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এই দামে ধান বিক্রি করলে তাদের দোন প্রতি (২৪ শতক) লোকসান হবে ৫০০ টাকা। একরে প্রায় ২ হাজার টাকা। অপরদিকে যারা লিজ নিয়ে আবাদ করেছে তাদের দোন প্রতি (২৪শতক) কে লোকসান  প্রায় আড়াই হাজার টাকা। তারা আরো জানান, এ অঞ্চলের কৃকষরা শুধু খাদ্য শস্য ধান চালেই উদ্বৃত্ত নয়। তার চাহিদার তুলনায় প্রায় দ্বিগুন শাকসবজি উৎপাদন করে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখলেও প্রতিটি পণ্যেই তারা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 

রৎকৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকার উপ পরিচালক (এলআর) আবু সায়েম জানান, সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান চাল ক্রয়সহ কৃষকদের ধানের মূল্য ন্যয্য প্রাপ্তিতে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে কৃষকরা মোটামুটি ফসলের দাম পাচ্ছে। তিনি আশা করেন ধানের দাম আরো বাড়বে।
#বাংলাদেশ প্রতিদিন

Place your advertisement here
Place your advertisement here