• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ছুটির দিনে গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শোক দিবসে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: আইজিপি বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গম রফতানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিল্প-কারখানায় এলাকাভেদে সাপ্তাহিক ছুটি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

রংপুরে তাণ্ডব চালিয়েছে কালবৈশাখী ঝড়, লণ্ডভণ্ড গ্রামের পর গ্রাম

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরের বিভিন্ন উপজেলায় তাণ্ডব চালিয়েছে কালবৈশাখী ঝড়। এতে লণ্ডভণ্ড হয়েছে বদরগঞ্জ, কাউনিয়া ও পীরগঞ্জের পাঁচটি গ্রাম। এছাড়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আম, ভুট্টা, গম, ধানসহ উঠতি ফসলের ক্ষতি হয়েছে। 

কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘর-বাড়ির ক্ষতির পাশাপাশি উড়ে গেছে স্থাপনা। তবে বৃষ্টির পানির চেয়ে শিলার তোপে মাটিতে নুয়ে পড়েছে কৃষকের সবুজ ক্ষেত। 

মঙ্গলবার রাত ৯টার পর থেকে থেমে থেমে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হানে। কৃষি বিভাগ ও আবহাওয়া অধিদফতর এখন পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেনি।

জেলার পীরগঞ্জের বড় আলমপুর ইউনিয়নে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্যামদাসের পাড়া, ষোলঘড়িয়া ও তামালপুর গ্রামে ঝড়ে গাছ-পালা উপড়ে পড়ে, মাটির বাড়িঘর ভেঙে যায়। কারো কারো ঘরের চাল উড়ে গেছে। ধসে পড়েছে বাড়ির দেয়ালও। ক্ষতি হয়েছে ধান, ভুট্টা, আম ও কলাগাছের।

বড় আলমপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সেলিম বলেন, রাতে ঘূর্ণিঝড় থেমে যাওয়ার পর বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেছি। প্রায় অর্ধশত বাড়ি-ঘর ভেঙে গেছে। দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে তালিকা করে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে। 

পীরগঞ্জ ছাড়া কাউনিয়া, বদরগঞ্জ, গঙ্গাচড়া উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে কালবৈশাখী ঝড়।  

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে আমগাছে আসা গুটি ঝরে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় আধাপাকা ও পাকা গম, ধান আর ভুট্টা মাটিতে শুয়ে পড়েছে। হাড়িভাঙ্গা আমের জন্য বিখ্যাত মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ, পদাগঞ্জ ও বদরগঞ্জের শ্যামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় আম বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

রংপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম কামরুল হাসান জানান, মঙ্গলবার রাকে জেলার বিভিন্ন স্থানসহ প্রত্যন্ত এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। ঝড়ের স্থায়িত্ব ছিল ৫০ মিনিট। এ সময় ৭ দশমিক শূন্য মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের পাশাপাশি বাতাসের বেগ বেশি ছিল। আগামী দুই একদিন রংপুর অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here