ব্রেকিং:
পাঁচ বিভাগে পাঁচ বার্ন ইউনিট স্থাপনসহ প্রায় ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
  • বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৮

  • || ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের বন্ধন এখন আরো শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বাল্যবিয়ে মুক্ত হলো কুড়িগ্রামের রাজারহাট এক কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার ধান-চালের বাজার তদারকি জোরদারের নির্দেশ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিট পাচ্ছে ৫ মেডিকেল হাসপাতাল

হারাগাছ থানায় হামলা: ২ মামলায় আসামি তিন শতাধিক

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরের হারাগাছে পুলিশের নির্যাতনে তাজুল ইসলামকে হত্যার অভিযোগ এনে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করেছে পুলিশ। 

ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে হারাগাছ থানার উপ পরিদর্শক আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রাতে এই মামলা করেন। এতে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় তিন শতাধিক মানুষকে। 

অপরদিকে মাদক রাখার অভিযোগে একই থানার উপ পরিদর্শক রিযাজুল ইসলাম বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেন। তাতে আসামি করা হয়েছে নিহত তাজুল ইসলামকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন। 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে এই দুটি মামলা হারাগাছ থানায় রেকর্ড করা হয়েছে। তবে, মামলায় কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। বিকেলে তাজুলের লাশের ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে বিকেলে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাফন করা হয়। 

নিহত তাজুলের ভাই লোটাস মিয়া লাশ দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার সন্ধায় মাদক বিরোধী অভিযানে যায় মেট্রোপলিটন হারাগাছ থানা পুলিশ। পৌর এলাকার দরদী স্কুল সংলগ্ন তেপতি বছি বানিয়া পাড়ায় মাদকসহ তাজুলকে আটক করে। পুলিশ দেখে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরপর সেখানে তার মৃত্যু হয়। 

স্থানীয়রা এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশের গাড়িসহ থানার আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। রাত সাড়ে ৭টা থেকে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত। পরে রংপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  

Place your advertisement here
Place your advertisement here