• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ছুটির দিনে গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শোক দিবসে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: আইজিপি বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গম রফতানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিল্প-কারখানায় এলাকাভেদে সাপ্তাহিক ছুটি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

জ্বর হলে ডেঙ্গু না কোভিড কীভাবে বুঝবেন

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

গেলো কয়েকদিনে রাজধানীসহ সারা দেশে জ্বর-সর্দির প্রকোপ বাড়ছে। অনেকে একসঙ্গে ডেঙ্গু ও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, যা বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। কারণ ডেঙ্গু ও করোনা একসঙ্গে হলে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।

কারও জ্বর হলে সাবধানতার জন্য কোভিড পরীক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলাদা থাকতে বলা হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে বর্ষাকাল এলেই ডেঙ্গু জ্বরের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনাটাও থেকে যায়। জ্বর কিংবা ঠাণ্ডা, গলা খুসখুস মানেই কিন্তু করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এমনটা নয়। জ্বর হলে আতঙ্কিত না হয়ে বরং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

ডেঙ্গু ও কোভিড জ্বরের উপসর্গ:  ডেঙ্গু এবং কোভিড—এই দুটি রোগেরই প্রাথমিক উপসর্গ হলো জ্বর। দুই জ্বরের কিছু উপসর্গে মিল আছে। তাই ডেঙ্গু, না কোভিড থেকে জ্বর হচ্ছে বুঝতে সমস্যা হতে পারে। অবশ্য কয়েকটি লক্ষণের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ডেঙ্গু হলে জ্বরের সঙ্গে গাঁটে গাঁটে ব্যথা ছাড়াও পেশিতে, মাথায়, চোখের পেছনে ব্যথা হতে পারে। পাশাপাশি ত্বকে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। করোনায় এ ধরণের উপসর্গ সাধারণত থাকে না। কোভিডে জ্বরের সাথে হাঁচি, কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ডেঙ্গুতে আবার এমন উপসর্গগুলো নেই।

পরীক্ষা: এ ধরনের উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক ধারণা করা যায় মাত্র। এ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু হয়েছে কিনা নিশ্চিত হতে ডেঙ্গু এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা এবং করোনা রয়েছে নাকি তা জানতে আরটি-পিসিআর টেস্ট করিয়ে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি রক্তের সিবিসি, প্লাটিলেট কাউন্ট, যকৃৎ ও কিডনির টেস্টগুলোও করিয়ে নেবেন। কারণ, এগুলো চিকিৎসার প্রয়োজনে লাগবে। 

চিকিৎসা: সাধারণত ভাইরাসজনিত রোগের তেমন কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ডেঙ্গু হলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে, মাড়ি, ত্বক বা অন্য কোনো অঙ্গ দিয়ে অস্বাভাবিক রক্তপাত হতে পারে। এ রকম জটিলতা হলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে এবং স্যালাইন নিতে হতে পারে। সহজ করে বললে, ডেঙ্গুতে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে অন্যদিকে করোনায় রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা তৈরি হয়।

যেহেতেু এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। জ্বর ও গায়ে ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল খেতে পারেন। বিশ্রামের পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো, কোভিড ও ডেঙ্গু একসাথে হতে পারে। আর এমনটা ঘটলে রোগ খারাপ দিকে পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। তখন রোগীকে বাসায় না রেখে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করাই ভালো।

Place your advertisement here
Place your advertisement here