• শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

Find us in facebook

নতুন সাকিবের আগমনী গান

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

Find us in facebook

Find us in facebook

‘আমি নিজেও বুঝি না, মাঠের মধ্যে গেলে কীভাবে আমি আক্রমণাত্মক হয়ে যাই।’ ইমার্জিং এশিয়া কাপ শেষে দেশে ফিরে বলছিলেন তানজিম হাসান সাকিব। তখনো জাতীয় দলে তাঁর ডাক পড়েনি। পড়ার অবশ্য কথাও ছিল না। তাঁকে আরেকটু সময় দিতে চেয়েছিলেন নির্বাচকেরা। 

কিন্তু চোট থেকে ইবাদতের সেরে উঠতে না পারা তানজীমের জাতীয় দলের দরজা খুলে দেয়। অভিষেক ক্যাপটাও পেয়ে গেছেন গতকাল। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটা আনুষ্ঠানিকতার। কিন্তু তানজীমের জন্য তা হওয়ার কথা নয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রথমবার, প্রতিপক্ষ ভারত, এশিয়া কাপের মতো টুর্নামেন্ট থেকে নিজের আগমনী বার্তা দেওয়ারও তো একটা ব্যাপার আছে! জুনিয়র সাকিব হতাশ করলেন না। ডানা মেলে উড়লেন কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের আকাশে-বাতাসে। 

অভিষেক ম্যাচে তানজীমের প্রথম উপস্থিতি ব্যাটিংয়ে। ১০ নম্বর ব্যাটার হিসেবে নেমে ৮ বলে ১৪ রানের ছোট্ট একটা ক্যামিং। বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডারের প্রেক্ষাপটে যেটাকে যদিও ছোট্ট বলার উপায় নেই। ইনিংসে ১ চার ও ১ ছক্কা। মুখোমুখি চতুর্থ বলে শার্দূল ঠাকুরকে লং অনের ওপর ছক্কা। চার মেরেছেন শেষ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাকে। তানজিম আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি পেয়ে গিয়েছিলেন ব্যাটিং থেকেই। সেটাকে বয়ে এনেছেন বোলিংয়ে। প্রথম ৩ বলের ২টি ওয়াইড ডেলিভারি। অভিষেকের উত্তেজনায় ভড়কে না গিয়ে উল্টো উইকেট উদ্‌যাপন করলেন রোহিত শর্মাকে আউট করে। ভারত অধিনায়ক রানের দেখাই পেলেন না। ইশারায় যেন অগ্রজ তাসকিনদের জানিয়ে দিলেন, ‘আমিও আছি তোমাদের লড়াইয়ে।’ লড়াইটা বাংলাদেশের পেস বোলারদের স্বর্ণযুগের। বার্তাটা এমন প্রজন্মের ‘ব্যাটন’ নিতে প্রস্তুত তানজিমরা! 

ম্যাচে তানজিমের দ্বিতীয় শিকার তিলক ভার্মা। ডানহাতি পেসারের ভেতরে ঢোকা স্বপ্নের এক ডেলিভারিতে তিলকের স্টাম্প ওড়ালেন তানজিম। বলটা বেরিয়ে যাবে ভেবে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিলক। তাঁর বোলিংয়ে মুগ্ধ বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার আতহার আলি খান। ম্যাচ চলাকালেই তাঁর টুইট, ‘তানজিম হাসান সাকিবের এ দৃশ্য দেখতে ভালো লাগে আমার শক্তিতে ভরপুর ২০ বছর বয়সীর মুগ্ধতা ছড়ানো পেস, বাউন্স, লাইন/লেন্থ দারুণ মুগ্ধতা জাগানিয়া। তাঁর বল ভেতরে ঢোকানো (ইনসুইং) ও বের করে নেওয়ার (আউটসুইং) স্কিলও আছে। দারুণ সম্ভাবনাময়ী এবং পেস আক্রমণে নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে।’

Place your advertisement here
Place your advertisement here