• মঙ্গলবার   ১৬ আগস্ট ২০২২ ||

  • ভাদ্র ১ ১৪২৯

  • || ১৭ মুহররম ১৪৪৪

Find us in facebook
সর্বশেষ:
উত্তরার দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক অর্থনীতি অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের রৌপ্যজয় ঠাকুরগাঁওয়ে থেমে থাকা এক ট্রাকে অপর ট্রাকে ধাক্কা, সহকারী নিহত ষড়যন্ত্র ১৯৭১ থেকে শুরু হয়েছে, এখনো চলছে: মায়া চৌধুরী মিঠাপুকুরে স্ত্রীকে হাতুড়িপেটা করায় পলাতক স্বামী গ্রেফতার

ডন-বাদশা-টাইগার কিনলে খাসি ফ্রি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৬ জুলাই ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ডন-বাদশা-টাইগার নামে তিনটি গরু কিনলে ক্রেতাকে একটি খাসি উপহার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন খামারি মনিরুল ইসলাম।

ঘোড়াঘাট পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কাজিপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম। বাড়ির পাশে ছোট একটি খামারে ডন-বাদশা-টাইগারসহ ১৪টি গরু প্রায় তিন বছর ধরে পরিচর্যা করছেন। উদ্দেশ্য কোরবানিতে তাদের বিক্রি করবেন।

খামারি মনিরুল ইসলাম বলেন, আমার খামারে ৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট উচ্চতার ডন-বাদশা-টাইগার নামে তিনটি বড় গরু রয়েছে। তিনটিই ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। তাদের তিন বছর ধরে লালন-পালন করছি। গরুগুলোকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে দৈনিক সাড়ে চার কেজি গমের ভুসি, তিন কেজি ধানের গুড়া, দুই কেজি কলাইয়ের ভুসি, তিন কেজি খুদ ও ছয় আঁটি খড় খাওয়ানো হয়। এতে মাসে ১৮-২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। 

তিনি আরও বলেন, ডন ৭ লাখ, বাদশা ৬ লাখ এবং টাইগারকে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হবে। এই তিনটি গরুর সঙ্গে ৩টি বড় খাসি উপহার দেওয়া হবে ক্রেতাকে। আমার খামারে এই তিনটি গরু ছাড়াও আরও ১১টি গরু হাটে নিয়ে বিক্রির প্রস্তুতি চলছে।

তিনটি গরুর সঙ্গে তিনটি খাসি উপহার দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে খামারি মনিরুল ইসলাম বলেন, বড় গরু বাজারে নিয়ে যাওয়া-আসা অনেক কষ্টের। বিক্রি নাহলে যাতায়াত খরচ বেড়ে যায়। এজন্য ডন-বাদশা-টাইগারকে আমি বাজারে তুলতে পারছি না। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ৩ গরুর সঙ্গে তিনটি বড় খাসি উপহার দিতে চেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ডনের ওজন ২৫ মণ, বাদশার ২৩ মণ এবং টাইগারের ওজন ২০ মণ হবে। গরু দেখতে ভিড় করছেন অনেক ক্রেতা ও স্থানীয়রা।

এদিকে দিনাজপুরের ১৩ উপজেলায় মোট ২ লাখ ৫৮ হাজার ১০০টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে গরু-মহিষ রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৯টি এবং ছাগল-ভেড়া ১ লাখ ৭২ হাজার ২৩১টি। জেলায় ছোট-বড় মিলে গরুর খামার রয়েছে প্রায় ৬০ হাজার। জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ২৪৮টি এবং চাহিদা মিটিয়ে আরও ২৮ হাজার ৮৫২টি বেশি থাকছে।

দিনাজুপর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন বলেন, খামারিদের নিরাপদ উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া জেলায় যে পরিমাণে পশু প্রস্তুত রয়েছে তা জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here