• শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৯

  • || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে গতিশীল রেখেছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল পেলেন ২ বাংলাদেশি নীলফামারীতে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে দৈনিক ১০ কোটি টাকার লেনদেন ‘গুপ্তধন পেতে জিনের বাদশাহকে ৮ লাখ টাকা দিয়েছি’

মিঠাপুকুরে প্রসবে জীবিত শিশুটির কেটে ফেলা হলো হাত!

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে শিশুটিকে দেখানো হয় মৃত। প্রসূতিকে বাঁচাতে দ্রুত গর্ভপাতের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। হাসপাতালে গর্ভপাতের মাঝপথে খবর আসে শিশুটি জীবিত আছে। খবরটি পরিবারের কাছে সুখের হলেও দুঃখের খবর গর্ভপাতের সময় শিশুটির একটি হাত আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে শিশুটির হাতটি কেটে ফেলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এমন ঘটনা ঘটেছে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায়।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সেই শিশুটির হাত কেটে ফেলেছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে মিঠাপুকুর উপজেলার চিথলী রামপুরা গ্রামের আইনুল ইসলামের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আইনুন্নাহার আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যান। সেখানে তার আলট্রাসনোগ্রাম করেন ডা. আহসান কবীর রনি।

তিনি জানান, আইনুন্নাহারের সন্তান গর্ভেই মারা গেছে। তিনি প্রসূতির জীবন রক্ষায় দ্রুত গর্ভপাতের পরামর্শ দেন। তার প্রতিবেদন নিয়ে আইনুন্নাহারকে গর্ভপাতের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক রিপোর্ট দেখে গর্ভপাতের ব্যবস্থা করেন। এ সময় ভ্রূণের নড়াচড়া টের পেয়ে দ্রুত আইনুন্নাহারকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নিয়ে জীবিত বাচ্চা প্রসব করান। অস্ত্রোপচারের সময় নবজাতক ডান হাতে আঘাত পেয়েছিল বলে জানান চিকিৎসক। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা থানায় অভিযোগ করেছেন। এর আগে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিভিল সার্জনসহ বিভিন্ন দফতরেও অভিযোগ করেন তিনি।

নবজাতকের বাবা আইনুল ইসলাম বলেন, ‌ডাক্তারের ভুল রিপোর্টের কারণে আমার সন্তানের একটি হাত কেটে ফেলতে হয়েছে। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই। আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো ডা. আহসান কবীর রনি বলেন, আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় গর্ভের বাচ্চাটিকে যে অবস্থায় পেয়েছি, সেভাবেই রিপোর্ট দিয়েছি। পরে কি হয়েছে জানি না।

মিঠাপুকুর থানার ওসি (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে শিশুটির বাবা একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here