• শুক্রবার   ২৭ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৯

  • || ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে গতিশীল রেখেছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী মরণোত্তর দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল পেলেন ২ বাংলাদেশি নীলফামারীতে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ লিচুকে ঘিরে দিনাজপুরে দৈনিক ১০ কোটি টাকার লেনদেন ‘গুপ্তধন পেতে জিনের বাদশাহকে ৮ লাখ টাকা দিয়েছি’

পীরগাছায় বারুণী মেলায় পুণ্যার্থীদের ঢল  

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত দুই বছর বন্ধ থাকার পর রংপুরের পীরগাছার কান্দি মাষাণকুড়ায় দিনব্যাপী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী স্নান ও বারুণী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ উপলক্ষে মাষাণকুড়া নদীর তীরবর্তী কান্দিরহাটে বারুণী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী চারুকারু পণ্য, মাটির খেলনা, প্লাস্টিকের সামগ্রী, বড় আকারের মাছ, ফলমূল এবং বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিক্রয়ের দোকান বসেছে।

শনিবার (৯ এপ্রিল) সকাল থেকে পুণ্যার্থীদের স্নান শুরু হয়েছে। মাষাণকুড়া নদীর তীরে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজার আয়োজন করা হয়। ভোর থেকেই বিপুল সংখ্যক হিন্দু পুণ্যার্থী মাষাণকুড়া নদীতে স্নান সেরে পূজা অর্চনা করেন। চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথির দিনেই এই অষ্টমী মেলা ও গঙ্গা দেবীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাষাণকুড়া নদীর পাড়ে কান্দিরহাটে শিশুদের জন্য মাটি দিয়ে তৈরি নানা ধরনের খেলনার পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। মাটির ব্যাংক, হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল, পালকিসহ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলনাসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে মেলায়। অষ্টমী স্নান ও বারুণী মেলায় বেড়াতে আসা শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ মূলত এসব খেলনার দোকান ঘিরে ভিড় করছেন।

পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শনিবার ভোর থেকেই রংপুরের পীরগাছা ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীরা কান্দি মাষাণকুড়া নদীর পাড়ে আসতে শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দা অতুল চন্দ্র বলেন, করোনার কারণে গত দুই বছর অষ্টমী স্নান সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই মেলা উপলক্ষে অনেক স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

অষ্টমী স্নান ও বারুণী মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র মংলু বলেন, গত দুই বছর মহামারির নিষেধাজ্ঞার কারণে অষ্টমী স্নানে তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। তবে এবার অষ্টমী স্নান আবার আগের রূপে ফিরেছে। শুরু থেকে পুণ্যার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে।
কে/

Place your advertisement here
Place your advertisement here