• সোমবার ০৫ আগস্ট ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪৩১

  • || ২৮ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
রাজধানীতে বিজিবির টহল জোরদার। নিষিদ্ধ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সব অঙ্গসংগঠনের বিবৃতি প্রকাশ করা যাবে নাঃ অ্যাটর্নি জেনারেল। শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয়: ওবায়দুল কাদের।

গুদামে মিলল টিসিবির পণ্য, ডিলারের ১ মাসের জেল

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২৪  

Find us in facebook

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে অবৈধ ভাবে বিপুল পরিমাণ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিবিসির) তৈল-ডাল-চাল মজুদের দায়ে একরামুল হক নামে এক ডিলারকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসাইন এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বোয়ালধার বাজারে এ ঘটনা। দণ্ডপ্রাপ্ত একরামুল হক বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বোয়ালধার গ্রামের ইসাহাক আলীর ছেলে। তিনি টিসিবির ডিলার, তবে অন্য ইউনিয়নের দায়িত্বে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর উপজেলার ভানোর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে টিসিবির পণ্য বিক্রি হয়েছে। সেই পণ্য ডিলার ও তার সিন্ডেকেটের সহযোগিরা এনে জমা করেছিলেন বোয়ালধার বাজারের একটি দোকান ঘরে। যা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুই কিলোমিটার দূরে।

খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি। গুদাম ঘর হিসেবে ব্যবহার করা দোকানটিতে থেকে উদ্ধার হয় ২১৬ টি দুই লিটারের সয়াবিন তেল, ৯ বস্তা চাল ও ২৫০টি ডালের প্যাকেট। এ সময় হাতে নাতে ডিলার একরামুল হককে আটক করলেও পালিয়ে যায় তার সহযোগিরা।

বাজারের লোকজন বলছেন, উপজেলায় টিসিবির পণ্য বিতরণের দিন এই দোকান ঘরে টিসিবির পণ্য জমা হয়। পরে সেগুলো বিক্রি করা হয় বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসাইন বলেন, একরামুল হক তার গুদামঘরে টিসিবি পণ্য মজুদ রাখার অপরাধ স্বীকার করায় এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তার সহযোগী মাসুদ রানা প্রশাসন আসার খবরে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাকে খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফছানা কাওছার জানান, শুরু থেকেই টিসিবির পণ্য বিক্রিতে স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করছে প্রশাসন। ডিলারদের বিভিন্ন অজুহাত, সুবিধাভোগীদের তালিকায় গড়মিল, চাল নিতে অনাগ্রহসহ নানা কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে তৈরি হয়েছে সিন্ডিকেট। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তেমন সহযোগিতা না করার কারণে এক প্রকার অসহায় প্রশাসন। তবে এবার কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

Place your advertisement here
Place your advertisement here