• বুধবার   ১২ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৮ ১৪২৮

  • || ২৮ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রেহানা কারও কষ্ট দেখলে খবর পাঠায়, চেষ্টা করি ব্যবস্থা নিতে-প্রধানমন্ত্রী যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে আছেন প্রধানমন্ত্রী: হুইপ ঠাকুরগাঁওয়ে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নীলফামারীতে ২৫০ পরিবারের মাঝে ছাত্রলীগের খাদ্য সহায়তা রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির ডিপোতে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়েছে

বাদাম বিক্রি করা সেই লতার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন এমপি নূর

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২১  

Find us in facebook

চলতি বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ‘এ’ প্লাস পেয়েছেন নীলফামারী সরকারি কলেজের মেধাবী ছাত্রী লতা রায়। স্বপ্ন তার চিকিৎসক হওয়ার। তাই মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য আবেদনও করেছেন। কিন্তু বাবার অভাবের সংসার। তিনি নিজেও প্রচণ্ড মাথার যন্ত্রণায় ভোগেন।

অর্থের অভাবে চিকিৎসাও করাতে পারেন না। তাই অর্থ জোগাতে রাস্তায় নেমেছিলেন বাদাম বিক্রি করতে। লোকজন যেন তাকে চিনে না ফেলে সেজন্য বোরকা পরেই বাদাম বিক্রি করেন লতা রায়।

লতা রায় নীলফামারী সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ডারারপাড় নিজপাড়া গ্রামের জগন্দ্র রায়ের মেয়ে।

লতা রায়ের বাদাম বিক্রির বিষয়সহ তার পারিবারিক অবস্থা স্থানীয় মাধ্যমে জানতে পারেন নীলফামারী সদর আসনের এমপি ও সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি ঢাকায় থাকায় বিষয়টি খোঁজ নিতে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান ও জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাত জাহান পল্লবীকে রোববার (১৪ মার্চ) লতার বাড়ি পাঠান। সেখানে আসাদুজ্জামান নূর মোবাইলে লতার সঙ্গে কথা বলেন এবং তার মাথা ব্যথার চিকিৎসাসহ লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় লতা রায়কে।

স্থানীয়রা জানায়, লতার বয়স যখন সাড়ে চার বছর তখন তার মা ভানুমতি রায় মারা যান। বাবা জগন্দ্র রায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেই ঘরে রয়েছে হিমন রায় নামের ১৫ বছরের ছেলে। সংসারে অভাব-অনটন থাকায় এখন লতা রায়ের বাবা ঢাকায় ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করছেন। সংসারে অভাব-অনটন থাকায় প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন এতদিন। মেডিকেলে পড়ার খরচ অনেক। তাই বাড়তি আয়ের জন্য বাদাম বিক্রির পথ বেছে নিয়েছেন লতা রায়।

লতা রায় বলেন, আমি নিজের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে বাদাম বিক্রি করতে রাস্তায় নামতে বাধ্য হই। নীলফামারী শহরে এসে বাদাম বিক্রি করতাম, যা লাভ হতো তা খারাপ ছিল না। এভাবে অল্প অল্প করে টাকা জমাচ্ছিলাম।

এমপি আসাদুজ্জামান নূরের লেখাপড়ার দায়িত্বগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি বড় হতাশা থেকে মুক্তি পেলাম। আমাদের এমপি আসাদুজ্জাান নূর আমার সব দায়-দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন, আমি যেন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়ে একজন চিকিৎসক হতে পারি। চিকিৎসক হতে পারলে এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের চিকিৎসাসেবা দিতে পারবো।

Place your advertisement here
Place your advertisement here