• বুধবার   ১২ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৮ ১৪২৮

  • || ২৮ রমজান ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
রেহানা কারও কষ্ট দেখলে খবর পাঠায়, চেষ্টা করি ব্যবস্থা নিতে-প্রধানমন্ত্রী যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে আছেন প্রধানমন্ত্রী: হুইপ ঠাকুরগাঁওয়ে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নীলফামারীতে ২৫০ পরিবারের মাঝে ছাত্রলীগের খাদ্য সহায়তা রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির ডিপোতে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়েছে

বেরোবিতে ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ মার্চ ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভিসি অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ও রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে বিধি বহির্ভূতভাবে ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের পিএইচডি গবেষক খন্দকার মো. রফিক হাছনাইন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।

খন্দকার মো. রফিক হাছনাইন লিখিত অভিযোগে বলেন, ইত্যবসরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আওতাধীন ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’ নামে বৃত্তি প্রদানের সার্কুলার হলেও করোনাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ এই বিজ্ঞপ্তি প্রচারের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এছাড়া স্থানীয় বা জাতীয় কোনো পত্রিকায়ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের জন্য ব্যবহৃত ‘হোয়াটস অ্যাপ’-এ কোনো ঘোষণা না দিয়ে নামমাত্র ওয়েবসাইটে শুধু নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দরখাস্ত করার শেষ তারিখ উল্লেখ না করেই অবৈধ চক্র মিলে বিধিবহির্ভূতভাবে নিজেদের ঘনিষ্ঠজন ও উৎকোচ প্রদানকারীদেরকে বৃত্তি দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

অভিযোগে তিনি আরো বলেন, ইউজিসির বিধিমালা মোতাবেক কোনো খন্ডকালীন গবেষকের বৃত্তি পেতে বাধ্যবাধকতা থাকলেও এটা অগ্রাহ্য করায় আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।

ভিসি ও রেজিস্ট্রার বেআইনিভাবে কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে গোপনে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে বলে প্রমাণ হয়। এক্ষেত্রে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগে ফৌজদারি অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, যা তদন্ত করা আবশ্যক। নয়তো দেশের আর্থিক ক্ষতিসহ ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’-এর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে।

এ ব্যাপারে পিএইচডি গবেষক খন্দকার মো. হাছনাইন বলেন, উচ্চ শিক্ষার জন্য যে বৃত্তি দেয়া হয় ইউজিসির আইন ও বঙ্গবন্ধু স্কোলারশিপের বিধিবিধান অনুযায়ী শুধু নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দেয়া হয়। কোনো খন্ডকালীন গবেষকদের কখনো বৃত্তিপ্রাপ্ত হবার সুযোগ নেই। আমাদের এখানে (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়) এটা অন্যায় করা হয়েছে, স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে অথবা সরকারের টাকা আত্মসাৎ করবার জন্য এটা করা হয়েছে। আমি এই দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ করেছি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও ভিসি অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেনি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here