• বুধবার   ১২ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৮ ১৪২৮

  • || ২৮ রমজান ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
রেহানা কারও কষ্ট দেখলে খবর পাঠায়, চেষ্টা করি ব্যবস্থা নিতে-প্রধানমন্ত্রী যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে আছেন প্রধানমন্ত্রী: হুইপ ঠাকুরগাঁওয়ে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নীলফামারীতে ২৫০ পরিবারের মাঝে ছাত্রলীগের খাদ্য সহায়তা রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ির ডিপোতে মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়েছে

‘তৃণমূলের এক কোটি নারীর ক্ষমতায়ন হবে’

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

‘বঙ্গমাতা পদক’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পদকটি দেওয়া হবে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের নামে। এই উদ্যোগকে মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। আগামী ৮ আগস্ট বঙ্গমাতার জন্মদিনে এই পদক চালু হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি। সাক্ষাতকারে তিনি যা বলেছেন তা তুলে ধরা হলো-

প্রতিবেদক: তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়নে আপনার মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা : তৃণমূলে নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক-সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫৪ লাখ ৫৫ হাজার ১০৫ নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে। কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও নারী উদ্যোক্তা তৈরি করা হচ্ছে জেলা পর্যায়ে।

প্রতিবেদক: নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মন্ত্রণালয় কী করছে?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা : নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য ব্র্যান্ডিং করতে জয়িতা ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়েছে। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তারা তাঁদের পণ্য বাজারজাত করছেন। ২৮ হাজার নারী উদ্যোক্তার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

প্রতিবেদক: নারীর ক্ষমতায়নে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে কি না? এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম কী?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা : নারীর প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের কার্যক্রম চালু করেছে মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে এক কোটি নারীকে তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা হবে। ৬৪টি জেলায় ৫৪ হাজার নারীকে এরই মধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদক: নারীদের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও আর্থিক-সামাজিক ক্ষেত্রে নারীরা পিছিয়ে আছে। এর কারণ কী বলে আপনি মনে করেন?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা : মূল কারণ হলো শিক্ষাক্ষেত্রে অনগ্রসরতা। নারীশিক্ষার হার কম ছিল। এখন বাড়ছে। তবে এখানে শুধু সরকার নয়, সবার ঐক্যবদ্ধ অশংগ্রহণ জরুরি। সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। এ বিষয়ে সরকার সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমকেও ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রতিবেদক: নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ কী?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা : আন্ত মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি করা হয়েছে। ৪৭টি সদর হাসপাতাল এবং ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ‘ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেল’ ভুক্তভোগীদের সহায়তা করছে। ‘১০৯’ ন্যাশনাল হেল্পলাইনে ২৪ ঘণ্টা অভিযোগ নেওয়া হয়। অসহায়-নির্যাতিত নারীদের আশ্রয় দেওয়ার ব্যবস্থা আছে।

প্রতিবেদক: নারীদের নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ উদ্যোগ কী?

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা : দুই লাখ ৫৬ হাজার নারীর প্রশিক্ষণের জন্য গত মাসে একনেকে প্রকল্প পেশ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে ফুড কর্নার, সেলস ও ডিসপ্লে সেন্টার এবং বিউটি পার্লার নির্মাণ করা হবে। সব জেলা-উপজেলায় নারীদের জন্য প্রশিক্ষণকেন্দ্র করা হবে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here