ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ৯৪৪ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে বড় ভাই আদম আলীর ধারালো কাচির আঘাতে ছোট ভাই শাপলা মিয়া (৫০) নিহত
  • বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় নির্মাণ অবকাঠামো হলো পদ্মাসেতু পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে সেবার মান দিনাজপুরে আশার আলো জাগিয়েছে ‘ব্রি ধান ৮৭’ কুড়িগ্রামে বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম বিতরণ চার এমওইউ স্বাক্ষর হতে পারে হাসিনা-মোদি ভার্চুয়াল বৈঠকে ৪৩তম বিসিএসে নিয়োগ পাবেন ১৮১৪ জন

কুড়িগ্রামে ৫ কন্যা সন্তানের পর আবারো একসাথে ৩ কন্যার জন্ম

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

এক পূত্র সন্তানের আশায় পর পর ৫ কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়া এক জননী আবারো এক সাথে ৩ কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এ নিয়ে পরেছে হৈ-চৈ। দরিদ্র দম্পতির ঘরে এতগুলো কন্যা সন্তানের ভরণ পোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ওই দম্পতি। বর্তমানে শিশুগুলি স্থিতিশীল থাকলেও মায়ের অবস্থা খুব একটা ভাল নেই। অর্থের অভাবে চিকিৎসা আর খাবার না পেয়ে ঘরের মেঝেতে তিন কন্যা সন্তানকে নিয়ে প্রহর গুণছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পরলে তিন কন্যাকে দত্তক নেয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন এক দম্পতি। দরিত্র দিনমজুর বাবা কষ্ট হলেও নিজেরাই সন্তানদের মানুষ করতে চাইছেন।

জানা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ নওদাপাড়া গ্রামের মৃত: আইয়ুব আলীর বড় মেয়ে ফাতেমার বিশ বছর আগে বিয়ে হয় ফুলবাড়ি উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের নগরাজপুর গ্রামের দিনমজুর সাইফুর রহমানের সাথে। বিয়ের পর তাদের সংসার এক এক করে ৫টি কন্যার জন্ম হয়। বড় কন্যাক এক বছর আগে বিয়ে দেন। বাকি চারজনের মধ্যে একজন নবম শ্রেণী, একজন সপ্তম শ্রেণী এবং দুইজন শিশু শ্রেনীতে পড়ছে। দরিদ্য পরিবারে এতগুলো সন্তান নিয়ে টানাপোড়নের মধ্যে দিন কাটছে ফাতেমা ও সাইফুর দম্পত্তির। এর মাঝে পূত্র সন্তানের আশায় আবারও গর্ভধারণ করে ফাতেমা। সন্তান প্রসবের জন্য মায়ের বাড়ি হাসনাবাদের নওদাপাড়ায় আসেন ফাতেমা।

ফাতেমার মা রহিমা বেগম নিজেও একজন দরিদ্র মানুষ। বাড়ির পাশের হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঝিয়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। গত সোমবার ১২ অক্টাবর বিকেলে সেখানেই একসাথ তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন ফাতেমা। পরিবারের সকলে পূত্র সন্তানের আশা করলেও ফাতেমা এক সাথে তিন কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় কেউ খুশি হতে পারেনি। 

ফাতেমার মামা প্রভাষক মহর আলী জানান, জন্মের পর তিন শিশুর শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলেও ফাতেমার শারীরিক অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। গত ৬দিনও বিছানা ছেড়ে উঠতে পারেনি ফাতেমা। তিনি আরো জানান, ফাতেমা এখনো সংজ্ঞাহীনের মত অবস্থায় রয়েছে। কথা বলার মত অবস্থায় নেই। তবে চিকিৎসা চলছে।

ফাতেমার স্বামী সাইফুর রহমান এই খবরে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন। কারো সাথে ভাল করে কথা বলছেন না। মহর আলী আরো জানান, তাদের দরিদ্র সংসার এবং আগের ৫ কন্যা সন্তান রয়েছে তাই সদ্য জন্ম নেয়া তিন কন্যা সন্তানদের দত্তক দেয়ার চিন্তা করে ফেসবুক স্টাটাস দেয়া হয়েছিল। তবে এখন সিদ্ধান্ত বদলানো হয়েছে। সন্তানদের মা সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দত্তক দেয়া হবে না। 

কন্যাদের পিতা সাইফুর রহমান জানান, আল্লাহ যা করেছে তা ভাল হয়েছে। কষ্টের সংসার হলেও তাদের মানুষ করতে হবে। 

Place your advertisement here
Place your advertisement here