• সোমবার   ১৭ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৩ ১৪২৮

  • || ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
বাংলাদেশকে আরো ৯৬ লাখ ফাইজার টিকা দিলো যুক্তরাষ্ট্র পীরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিন জনের মৃত্যু পরিবেশ উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী নাসিক নির্বাচন জাতীয় পর্যায়ে উদাহরণ সৃষ্টি করবে: কৃষিমন্ত্রী ভূমি ব্যবস্থাপনাকে এসওপি’র আওতায় আনা হচ্ছে: ভূমি সচিব

নৌকা প্রতীক ছাড়াই ভোট হবে বিরামপরের বিনাইল ইউনিয়নে

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

সারাদেশে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সরকার দল থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও ব্যতিক্রম এক চিত্র দেখা গেছে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৫ নং বিনাইল ইউনিয়নে।

তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর এ ইউপিতে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ। তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক ছাড়াই এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্বচ্ছ প্রার্থী না থাকায় এবং গেল নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করায় এবার দলীয় কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি বলে দাবি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের।

বিরামপুর উপজেলার নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, এই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করেছে। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করেনি। ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, চশমা প্রতীক নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হামিদুর রহমান ও আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন হুমায়ুন কবির বাদশা।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫ নং বিনাইল ইউপিতে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় মো. আব্দুর রউফ মিন্টুকে। দলের শৃঙ্খলা ভেঙে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন মো. শহিদুল ইসলাম ও সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. হামিদুর রহমান।

এছাড়া বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম অবুল ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ মিন্টুকে হারিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম জয় লাভ করেন। 

এবার কেন নৌকা প্রতীক চাননি এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সদস্য ও নৌকার সাবেক প্রার্থী আব্দুর রউফ মিন্টু বলেন, গতবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। সেই সময় দলের দেওয়া প্রতীকের বিরুদ্ধে দুজন কাজ করায় আমি হেরে গেছি। এবার প্রার্থিতা চাইলে আবরিও সেই অবস্থায় হবে। দলের মধ্যে বিভেদ বাড়বে। বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আমি এবার নৌকা প্রতীকের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের কাছে আবেদন করিনি।

বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু বলেন,এবার ওই ইউনিয়ন থেকে দুজন নৌকা প্রতীকের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের কাছে আবেদন করেছিলেন। তারা দুজনই গতবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করায় এবার তাদের নৌকা প্রতীকের জন্য কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে এবার ওই ইউনিয়নে দলীয় কোনো প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি।  

উল্লেখ্য, এই ইউনিয়নের ১৬ হাজার ২৭২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন আগামী ২৮ নভেম্বর।

Place your advertisement here
Place your advertisement here