• রোববার   ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৩ ১৪২৮

  • || ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

Find us in facebook
সর্বশেষ:
বাংলাদেশকে আরো ৯৬ লাখ ফাইজার টিকা দিলো যুক্তরাষ্ট্র পীরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিন জনের মৃত্যু পরিবেশ উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী নাসিক নির্বাচন জাতীয় পর্যায়ে উদাহরণ সৃষ্টি করবে: কৃষিমন্ত্রী ভূমি ব্যবস্থাপনাকে এসওপি’র আওতায় আনা হচ্ছে: ভূমি সচিব

জলঢাকায় ইরি ধানের ফলন বাড়াতে সমলয় চাষাবাদের প্রস্তুতি

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

অল্প জমিতে অধিক ফলনের জন্য প্রযুক্তি ভিত্তিক বোরো ধান চাষের লক্ষের সরকারি কৃষি প্রণোদনার অংশ হিসেবে দেশের পার্বত্য তিন জেলাকে বাদ দিয়ে ৬১ জেলায় শুরু হয়েছে সমলয় পদ্ধতির বোরো ধান চাষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নীলফামারীর জলঢাকায় পরিক্ষামূলক ভাবে ৮০জন কৃষকের ১৫০ বিঘা জমিতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় এই পদ্ধতির চাষাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের মাইজালিপাড়া সংলগ্ন এলাকায় ৫০ একর জমির জন্য ৪৫০ টি ট্রেতে ট্রান্সপ্লান্ট মেসিনে রোপনের জন্য সিনজেন্টা ১২০৫ জাতের বীজতলার প্রস্তুতি নিয়েছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র বলছে,কৃষির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উচ্চ ফলনশীল একই জাত ব্যবহার, ট্রে-তে বীজ বপন, কম বয়সের চারা রোপন, চারা রোপনে রাইচ ট্রান্সপ্লান্টার ব্যবহার, সুষম সার ব্যবহার, আইল ফসল, ধান কর্তনে কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানো, উৎপাদন খরচ সাশ্রয় করা, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ভরা মৌসুমে কৃষি শ্রমিকের সংকটের সমাধান সম্ভব হবে সমলয় চাষাবাদে।

এছাড়াও ১৫০ বিঘা জমিতে সাধারণ পদ্ধতিতে ধান রোপন করতে খরচ প্রায় এক লক্ষ আশি হাজার টাকা এবং প্রায় ছয়শত জন ব্যক্তির প্রয়োজন। কিন্তু উন্নত প্রযুক্তিতে তা দুজন ব্যক্তি মাত্র চার দিনের মধ্যেই করা সম্ভব। এতে সময় আর ব্যয় দুটিই সাশ্রয় হচ্ছে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

মাইজালি এলাকার কৃষক জলিল উদ্দিন জানান, সমলয় চাষের জন্য আমার ৬ বিঘা জমি বেছে নিয়েছে। কৃষি অফিস বীজ, চারা লাগানো সহ সব খরচ বহন করছে আমাকে শুধু বীজ রোপনের জন্য জমি তৈরি করতে হয়েছে।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার মীর হাসান আল বান্না জানান, অল্প জমিতে বেশি ফলনের লক্ষে সরকারি প্রণোদনায় এই পদ্ধতির চাষাবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যান্ত্রিক চাষাবাদের শিক্ষামূলক এই উদ্যোগ অনেকটাই সময় উপযোগী।

তিনি জানান, আমরা এ বছর সব খরচ বহন করছি এবং কৃষকরা যেন পরবর্তীতে এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে পারে সে বিষয়ে আমরা সরাসরি তাদের মাধ্যমে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করছি। আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যেই ট্রেরের চারা গুলো ট্রান্সপ্লান্ট মেশিনের মাধ্যমে রোপন সম্ভব বলে জানান তিনি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here