ব্রেকিং:
করোনা পরিস্থিতিতে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে
  • রোববার   ১৩ জুন ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪২৮

  • || ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ থেকে শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব- প্রধানমন্ত্রী করোনা আপডেট: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৩৭ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি `উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির পুরনো অভ্যাস` মিঠাপুকুরে করলাক্ষেতে ভাইরাসজনিত পাতা মোড়ানো রোগ দেখা দিয়েছে

আরো ভ্যাকসিন সরবরাহে আশ্বস্ত করেছে চীন- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে প্রতি মাসে ভাগ করে ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য চীনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

তিনি বলেছেন, চীন আশ্বাস দিয়েছে, এ বিষয়ে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। জুন-জুলাইয়ে নতুন করে ভ্যাকসিন দেয়ার চেষ্টা করবে তারা। মোট কথা আরো ভ্যাকসিন সরবরাহে আশ্বস্ত করেছে চীন।

বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় উপহার হিসেবে চীনের পাঠানো পাঁচ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র চীন বাংলাদেশকে সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে দিয়েছে। এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা এটা গ্রহণ করেছি। আমরা চীনের প্রেসিডেন্ট এবং সব নাগরিককে ধন্যবাদ জানাই, এ রকম সময় আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

তিনি বলেন, এই পাঁচ লাখ ভ্যাকসিন আমরা দুই ডোজ করে আড়াই লাখ লোককে দিতে পারবো। আমাদের দেশে যা প্রয়োজন তা দুই দিনেই লেগে যেতে পারে। আমরা চেষ্টা করছি আরো ভ্যাকসিন আনার জন্য। যাতে যাদের ভ্যাকসিন প্রয়োজন বাংলাদেশের সবাইকে যেন ভ্যাকসিন দিতে পারি।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একইভাবে আমরাও চীনের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। যখন প্রথম উহানে করোনাভাইরাস দেখা দিলো এবং সেখান থেকে ছড়িয়ে গেল চীনে ও পুরো বিশ্বে। যতদূর সম্ভব ছিল ওষুধপত্র উপহার হিসেবে আমরা চীনকে দিয়েছিলাম। সেই বন্ধুত্ব আবারও তারা দেখালেন, পাঁচ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন তারা পাঠালেন। এই ভ্যাকসিন ডব্লিউএইচও’র অনুমোদন পেয়েছে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,‘করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা ও মানুষকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ভ্যাকসিন একটি পন্থা। পাশাপাশি মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি বড় বিষয়। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি এবং মানুষ সুবিধা পাচ্ছে। আমাদের দেশে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে। 

তিনি বলেন, আমরা দেখলাম ঈদের সময় মানুষ যেভাবে গেল বাড়িতে, তাতে আমরা খুবই মর্মাহত হলাম। সরকারের ইচ্ছা ছিল মানুষকে সুরক্ষিত রাখার। সে জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মানুষ সেভাবে বিধি-নিষেধ মানলো না। চলে গেল যে যেভাবে পারে। আমরা এটি আশা করবো তারা যেন নিজের জায়গায় গিয়ে বেশি ঘোরাফেরা না করে, ভাইরাসটা ছড়িয়ে না দেয়। শুধু ভ্যাকসিনের মাধ্যমে আমরা ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবো না। আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here