• বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৬ ১৪৩১

  • || ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

Find us in facebook

তারাগঞ্জে চুলার আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩ মে ২০২৩  

Find us in facebook

Find us in facebook

রংপুরের তারাগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ হয়ে রুবিয়া বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ মে) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুবিয়া বেগম ঘনিরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের স্ত্রী। বাড়ির উঠানে রান্না করার সময় অগ্নিদগ্ধ হন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রুবিয়া বেগম বাড়ির উঠানে রান্নার চুলার পাশে অগ্নিদগ্ধ হয়ে পড়ে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। প্রতিবেশী মুন্নী বেগম রুবিয়াকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। রংপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা রুবিয়ার ঝলছে যাওয়া শরীর দেখে বেঁচে থাকার সম্ভবনা নেই বলে জানালে তাকে সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানে তিনি মারা যান। রুবিয়ার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

প্রতিবেশী মুন্নী বেগম বলেন, সকালে রুবিয়ার বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি চুলার পাশে আগুন লাগা অবস্থায় পড়ে আছেন। চিৎকার করি। আশেপাশের লোকজন এসে আগুন নিভায়। এরপর তাকে মেডিকেলে নেওয়া হয়।

রুবিয়ার স্বামী আব্দুস সামাদ বলেন, মোর বউ তিন বছর ধরি অসুখোত (অসুস্থ) ভোগোছে। কিছু দিন ধরি বেশি অসুস্থ হয়্যা পড়ে। আজই সকালে ঘুম থাকি উঠি বউয়োক বাড়িত থুইয়া বাজার গেছুন (গিয়েছি) চা খাবার। আসি শোনোং (শুনি) চুলার আগুনোত পুড়ি গেইছে। হাসপাতালোত নিয়াও বাঁচাবার পানু (পারলাম) না।

তারাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে পুলিশ তা তদন্ত করবে। তবে পরিবার বলেছেন ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল। তাকে রান্না করতে দেওয়া হয়নি। স্বামী তাকে বাড়িতে রেখে বাজারে গেলে তিনি চুলায় রান্না করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন।

Place your advertisement here
Place your advertisement here