• মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৩ ১৪৩০

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪৪

সর্বশেষ:
মালদ্বী‌পের রাষ্ট্রপ‌তি‌কে আম পাঠা‌লেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী চালু কেন্দ্রে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা মোংলা বন্দর দিয়ে বাড়ছে গার্মেন্টস পণ্যের রফতানি লাল-সবুজের নতুন কোচ নিয়ে ঢাকার পথে সুবর্ণ এক্সপ্রেস

‘নজরুলের গান-কবিতা আপামর বাঙালিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে’

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৬ মে ২০২৩  

Find us in facebook

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নজরুলের গান ও কবিতা বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ আপামর বাঙালিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, উদ্বুদ্ধ করেছে। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় কবির স্মৃতিধন্য ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন  জাতীয় সংসদের সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী ।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে তিন দিনব্যাপী (২৫-২৭ মে) জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,নজরুলের গান ও কবিতা  মুক্তিকামী বাঙালির অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। নজরুলের কালজয়ী গান ও কবিতা আমাদের জাতীয় সত্তার সঙ্গে মিশে আছে বলেই তিনি বাঙালির জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত।

তিনি আরো বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কবি নজরুলের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত নিবিড়। বঙ্গবন্ধু হলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক আর নজরুল বাংলা সাহিত্যের।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, নজরুল আজীবন অসাম্প্রদায়িকতা প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে গেছেন, ব্যক্তিজীবনে চর্চা করেছেন।
তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা গেলে নজরুলের প্রতি আমরা সত্যিকার অর্থেই শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবো। তিনি একজন কালোত্তীর্ণ কবি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতি  মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী, ময়মনসিংহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। স্মারক বক্তা হিসাবে বক্তৃতা করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর দে। সম্মানীয় বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন সংগীত শিল্পী ও নজরুল গবেষক খিলখিল কাজী।

পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

উল্লেখ্য, এবছর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে- "অগ্নিবীণার শতবর্ষ: বঙ্গবন্ধুর চেতনায় শাণিতরূপ"।

Place your advertisement here
Place your advertisement here