পুলিশের সাইবার পেট্রোলিংয়ে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছেনা জঙ্গীরা
– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২০
Find us in facebook
দেশের ভেতরে যে কারণে জঙ্গীরা সংগঠিত হয়ে জঙ্গী হামলার প্রস্তুতির পরিকল্পনা নেয়ার আগেই ধরা পড়ায় তার নেপথ্যের কাহিনী জানা গেছে। আর এটার নেপথ্যে রয়েছে পুলিশের ‘সাইবার পেট্রোলিং’। সাইবার পেট্রোলিং- এটা পুলিশের জঙ্গী সদস্য শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য নতুন কৌশল। এই কৌশলের কাছে হার মানছে জঙ্গী সংগঠন ও জঙ্গী সদস্যরা। জঙ্গী আস্তানা তৈরি, ট্রেনিং প্রদান, অপারেশন প্ল্যান, অস্ত্র সংগ্রহ, অর্থ যোগানসহ জঙ্গী হামলার পরিকল্পনা করার আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে জঙ্গী সদস্যরা। এ কারণে জঙ্গী সংগঠনকে আর মাথা তুলে দাঁড়াতেই দিচ্ছে না পুলিশ। করোনাভাইরাসের ভয়াবহ দুর্যোগের সময়েও জঙ্গীরা সংগঠিত হতে গিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে অন্তত শতাধিক জঙ্গী। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
জানা গেছে, সাইবার পেট্রোলিং করার কারণে আগে যেভাবে একটা আস্তানা গেড়ে সেখানে ট্রেনিং দিত, আমির থাকত, অপারেশন প্ল্যান ও অস্ত্র সংগ্রহ করত এসব আর আগের মতো নেই। একেবারেই ভঙ্গুর অবস্থায় আছে তারা। শুরুতে কিংবা মাঝপথেই কোন পরিকল্পনা নেয়ার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ছে তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি কিশোর-তরুণরা কী করছে, ইন্টারনেট ব্যবহার কীভাবে করছে, সেগুলোতে অভিভাবকদের দৃষ্টি থাকলে ঘরে বসে জঙ্গীবাদের প্রচার, প্রসার চালানোসহ জঙ্গী সংগ্রহের বিষয় ও জঙ্গীবাদের বিষবৃক্ষটি সমূলে উপড়ে ফেলা সম্ভব হবে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন।
পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুলাই কথিত হিজরতের নামে রাজধানী থেকে ঘর ছেড়েছিল সাফফাত নামের এক কিশোর। দেড় মাস চাঁদপুরে থেকে ঢাকায় ফিরে এলে গত ১৭ আগস্ট সদরঘাট এলাকা থেকে ইয়াছির আরাফাত শাস্তসহ সাফফাতকে গ্রেফতার করা হয়। জঙ্গীবাদে দীক্ষা নেয়ার প্রক্রিয়াও আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে উল্লেখ করেছে সাফফাত। একজন জঙ্গী ধরা পড়লে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য নিয়ে সাইবার পেট্রোলিং করা হচ্ছে। এতে সহযোগী জঙ্গীরা পুলিশের সাইবার পেট্রোলিং খাচার ভেতরে ঢুকে পড়ছে। এভাবেই জঙ্গী ধরার ক্ষেত্রে সাইবার পেট্রোলিঙের কাজ করছে পুলিশের বিভিন্ন দক্ষ ইউনিট।
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে রাজধানী ঢাকার গুলশান হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গী হামলার পর জঙ্গী মোকাবেলায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দেশের জঙ্গীবাদ দমনে পুলিশের মধ্যে গঠন করা হয়েছে বিভিন্ন ইউনিট, যারা জঙ্গীবাদ দমনে দক্ষ। পুলিশসহ যেসব আইন শৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রণ ও দমনের দায়িত্বে দক্ষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে তার মধ্যে আছে পুলিশের বিশেষ সংস্থা এ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম এ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), পুলিশ সদর দফতর, জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), সিটিটিসির সাইবার ক্রাইম শাখা, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই) একযোগে অনলাইনে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় জঙ্গীবাদের প্রোপাগান্ডা ও কার্যক্রম বন্ধের জন্য কাজ করছে। তারপরও জঙ্গীরা থেমে নেই। দেশের কোথাও না কোথাও প্রায় প্রতিদিনই পুলিশের এসব ইউনিটের হাতে ধরা পড়ছে জঙ্গী সদস্য।
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে জঙ্গী দমনের দায়িত্ব দেয়ার পর থেকে জঙ্গী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে জঙ্গী সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়লেও অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই করোনা পরিস্থিতিতেও সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে জঙ্গীরা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফিজিক্যাল ও কঠোর সাইবার পেট্রোলিংয়ের কারণে চূড়ান্ত পরিকল্পনার আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে তারা। আগে যেভাবে একটা আস্তানা নিয়ে ট্রেনিং দিত, আমির থাকত, অপারেশন প্ল্যান ও অস্ত্র সংগ্রহ করত, এখন সেই অবস্থায় নেই জঙ্গীরা। সামনে আসার মতো শক্তি জঙ্গীদের নেই বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশের সব বিভাগেই এ্যান্টি টেররিজম ইউনিট অভিযান চালিয়েছে। আবার অনেক জঙ্গী সংগঠন ভেতরে ভেতরে অনলাইনে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে সংগঠিত হওয়ারও চেষ্টা করছে। তবে সামনে আসার মতো শক্তি নেই, জঙ্গী সংগঠনগুলোর মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। জঙ্গীদের প্রকাশ্য যে রূপটা ছিল, সেটা এখন অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে। করোনাভাইরাসের সময়ে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে অন্তত ৩৪টি মামলা করেছে পুলিশের এ্যান্টি টেররিজম ইউনিট। এ সময়ে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের সাইবার পেট্রোলিংটা পুরোপুরি চালু থাকায় জঙ্গীরা সফল হতে পারছে না বলে পুলিশ সদর দফতরের কর্মকর্তরা মনে করেন।
পুলিশ সদর দফতরের এক কর্মকর্তা বলেন, রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গী হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে পর্যুদস্ত হয়ে পড়েছে জঙ্গীরা। জঙ্গীদের কার্যক্রম ও কৌশলও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রপ্ত করেছে। অনলাইন কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার পেট্রোলিং থাকায় জঙ্গীরা বড় কোন কার্যক্রমে সফল হতে পারছে না। তবে তারা বসেও নেই। তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জঙ্গী তৎপরতার এসব কার্যক্রম চালাতে পৃষ্ঠপোষক লাগে। সাম্প্রতিক সময়ে সেই পৃষ্ঠপোষক জঙ্গীরা পাচ্ছে বলে মনে হয় না। পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে এ ধরনের জঙ্গী সংগঠন টিকে থাকতেও পারে না। বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক কারণেই সর্বদা সতর্ক আছে আইন শৃংখলা বাহিনী।
পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপের (এসএজি) এক কর্মকর্তা বলেন, রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিসহ জঙ্গীবিরোধী বড় বড় অভিযানে ফ্রন্ট ফাইটার হিসেবে সফল ভূমিকা রেখেছেন সিটিটিসি। আগে যেভাবে দেশে জঙ্গীবাদের সাংগঠনিক কাঠামো ছিল, বর্তমানে সেই সাংগঠনিক কাঠামো আর নেই। অর্গানাইজড কাঠামোতে জঙ্গীরা আগে যেভাবে ট্রেনিং, রিক্রুটমেন্ট, অপারেশন প্ল্যান এবং অস্ত্র সংগ্রহ করত, সেই অবস্থাতে তারা একেবারেই নেই। অব্যাহত অভিযান ও নজরদারির কারণে তারা দুর্বল হয়ে গেছে। নতুন করে লিডারশিপও গড়ে তুলতে পারছে না। রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়া যদি সচল না থাকে, ফিজিক্যালি যদি কন্ট্যাক্ট করতে না পারে, তাহলে লিডারশিপটাও ডেভেলপ করে না। তবে এই অবস্থাতেও তারা যে চেষ্টাটা করে, সেটা হচ্ছে অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে কাউকে উদ্বুদ্ধ করে, স্থানীয়ভাবে কোন ধরনের কিছু করা যায় কিনা। কিন্তু সেই ক্ষেত্রেও কোন পরিকল্পনা নেয়ার আগেই আমরা সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে অনেককে গ্রেফতার করেছি। ফলে জঙ্গীদের কার্যক্রম পরিচালনা করাটা এখন বাংলাদেশে কষ্টকর হয়ে গেছে। কারণ, আমাদের একাধিক ডেডিকেটেড ইউনিট ফিজিক্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের পেছনে লেগে আছে বলে পুলিশের (এসএজি) কর্মকর্তার দাবি।
- একটি রাষ্ট্রায়ত্তসহ তিন ব্যাংক তালিকাভুক্ত হচ্ছে শেয়ারবাজারে
- শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টানেলের দ্বিতীয় টিউব নির্মাণ কাজ
- কুড়িগ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই সন্তানের জনক গ্রেপ্তার
- সৈয়দপুরে ছিনতাইকারী স্বামী-স্ত্রী আটক
- ‘সভ্যতা ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ভাষ্কর্য`
- কুড়িগ্রামে ২ হাজার নারীকে স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণ বিতরণ
- কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন-চাষিদের মুখে হাসি
- ‘যারা মৌলবাদ-গুজবের পথ বেছে নিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন’
- গাইবান্ধার ১১টি খাদ্যগুদামে ধান-চাল কিনবে সরকার
- বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বাধা-কী ভয়ানক দম্ভোক্তি!!!
- রংপুরে রোকেয়ার ভাস্কর্য উন্মোচনের দাবি ঘুচে যাচ্ছে
- প্রধানমন্ত্রীর দেয়া কম্বল নিয়ে শীতার্তদের মাঝে এসেছি: ফজলে রাব্বী
- করোনা আপডেট: গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৮
- ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বাধা দিলে আইনি ব্যবস্থা’
- দেউলিয়াত্বের কারণে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অনীহা
- অসহায় মানুষকে ১০ বছর বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করেছে সরকার
- আগামী এক মাসের মধ্যেই ভাসানচরে যাবেন ৪ হাজার রোহিঙ্গা
- ‘নৈতিকতা-মূল্যবোধ না থাকলে ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়’
- বিএনপির চেয়ারম্যান পদ পরিবর্তন নিয়ে তৃণমূলে গুঞ্জন
- ভাস্কর্য নিয়ে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বিতর্কের সৃষ্টি করছে: কাদের
- ‘করোনা থেকে মুক্তি পেতে মাস্কের বিকল্প নেই’
- অভ্যন্তরীণ কোন্দলে টালমাটাল অবস্থা বিএনপির
- পাকিস্তান শিবিরে ফের করোনার হানা
- `আমার শরীর বদলে যাচ্ছে` বললেন মোনালি
- অমুসলিম প্রতিবেশীর মৃত্যুতে করণীয়
- গদি ছাড়তে ‘যদি’ শর্ত ট্রাম্পের
- ভাস্কর্য নিষিদ্ধের কথা উল্লেখ নেই কোরআনে
- সরকারের ঘর পাচ্ছে ৮ লাখেরও বেশি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার
- ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরি করবে সরকার
- করোনার ভ্যাকসিন মানুষ সহজেই পাবে- সেতুমন্ত্রী
- গ্রামীণ সড়কের বিষয়ে মাস্টারপ্ল্যান তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- রাসেলের স্বপ্ন ছিল সে সেনাবাহিনীর অফিসার হবে- প্রধানমন্ত্রী
- রংপুরে প্রথমবারের মতো চালু হলো সুপারশপ ‘স্বপ্ন’
- কুড়িগ্রামে ৫ কন্যা সন্তানের পর আবারো একসাথে ৩ কন্যার জন্ম
- ধরিত্রী সুরক্ষায় বহুমুখী প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
- ১০০ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক ক্যানসার হাসপাতাল হবে রংপুরে
- ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের বড় অর্জন’
- পাঁচ দেশ থেকে আসছে ১২ হাজার টন পেঁয়াজ
- ‘প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
- সরকার ফাইভ জি’র কার্যক্রম চালু করতে প্রস্তুত: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী
- কুড়িগ্রামে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
- টেকসই উন্নয়নে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: সায়মা
- বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে ফ্রেশ হতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ
- সৈয়দপুরে ‘আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’: স্বপ্ন এখন শিখর চূড়ায়
- এ বছরই বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার টাকা
- শত বছরের রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টিতে ডুবল রংপুর
- ২১ সেপ্টেম্বরের পর স্কুল খোলার অনুমতি দিয়েছে ভারত
- পাবনায় কৃষকের ঘরে অন্তত ৮৯ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত
- সাম্প্র্রদায়িক সম্প্র্রীতি রক্ষায় বিশ্বনবী (সা:)
- দারিদ্র্য নির্মূলে বহুমুখী গ্রাম সমবায় সমিতি গড়ুন: প্রধানমন্ত্রী


