ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ৮০২ জনে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • শুক্রবার   ১৩ নভেম্বর ২০২০ ||

  • কার্তিক ২৯ ১৪২৭

  • || ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
জনগণের ভোট, সমর্থন নিয়েই আমরা ক্ষমতায় এসেছি- প্রধানমন্ত্রী দেশের সব অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে- কাদের ‘শেখ হাসিনা সরকার যতদিন থাকবে, দেশবাসী নিরাপদ’ ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ লালমনিরহাটে ৪০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

তারেক চাকর-বাকরের মতো আচরণ করে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে!

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্ধত ও ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ সব মহলেরই জানা। এমনকি দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গেও খবরদারি ও চাকর-বাকরের মতো আচরণ করেন তিনি। সম্প্রতি দলের একাধিক সিনিয়র নেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
তারা জানান, সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে খালেদার অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন বিতর্কিত ভূমিকার কারণে তারেকের ওপর আস্থা পাচ্ছেন না বিএনপির সিনিয়র নেতারা। সম্মান হারানোর ভয়ে তারেকের সব অত্যাচার তারা সহ্য করছেন।

এদিকে রাজপথে আন্দোলন করতে ব্যর্থ বিএনপি নেতৃত্ব নিয়ে দলের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ব্যাপক দুর্নীতির বোঝা মাথায় নিয়ে ২০০৯ সাল থেকে লন্ডনে পলাতক জীবনযাপন করছেন তারেক। পরপর তিন মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে না পারাকে রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন অনেকে।

দলীয় সূত্র মতে, দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই দলের দায়িত্ব বুঝে নেন তারেক। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের সব কার্যক্রমে তার ভূমিকায় সিনিয়র নেতারা বারবার হতাশ হয়েছেন। ব্যর্থ তারেকের একক নেতৃত্ব বর্তমানে কেউই মানতে পারছেন না। ফলে দলের মধ্যে নতুন এক সংকট তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র ও দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলে একক নেতৃত্ব কখনো কাম্য নয়। তারেক রহমান দলের যথেষ্ট ক্ষতি করেছেন।

তিনি বলেন, বিএনপির মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা নেই। তারেক রহমানের একক কর্তৃত্ব থাকায় ও সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ না নেয়ায় দলের মধ্যে একটা বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে। তারেকের ব্যবহারে সিনিয়র নেতারা নারাজ। তিনি সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে চাকর-বাকরের মতো আচরণ করেন। সব সময় ধমকের সুরে কথা বলেন। 

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বুদ্ধিজীবী ও বিশ্লেষকেরা বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তিনি খণ্ডন করতে পারেননি। বিএনপিকে অখণ্ড রাখতে হলে জিয়া পরিবারের বাইরে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে।

জানতে চাইলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, দলে পরিবারতন্ত্র চলতে থাকলে এক সময় বিএনপির সিনিয়র নেতারা রাজনীতির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। সে পথেই এগোচ্ছে বিএনপি।

Place your advertisement here
Place your advertisement here