• সোমবার ০৫ আগস্ট ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪৩১

  • || ২৮ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
রাজধানীতে বিজিবির টহল জোরদার। নিষিদ্ধ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর সব অঙ্গসংগঠনের বিবৃতি প্রকাশ করা যাবে নাঃ অ্যাটর্নি জেনারেল। শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয়: ওবায়দুল কাদের।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৯২৪১ শিক্ষার্থী

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই ২০২৪  

Find us in facebook

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ৭ অক্টোবর থেকে বুধবার পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৯ হাজার ২৪১ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এই সময়ে আহত হয়েছে ১৫ হাজার ১৮২ জন শিক্ষার্থী। ফিলিস্তিনের শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। 

ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনের শুরু থেকে গাজা উপত্যকায় নিহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ হাজার ২৪১ জনের বেশি। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও ১৪ হাজার ৬৭১ জন। একই সময়ে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছে ১০৩ শিক্ষার্থী এবং আহত ৫০৫ জন। এ ছাড়া গ্রেফতার হয়েছে ৩৫৭ জন। 

ইসরায়েলি হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকার ৬ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া থেকে বঞ্চিত। ৮৮ হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। ইসরায়েলি দখলদারিত্ব গাজা উপত্যকার ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীকে উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা দেওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। বেশির ভাগ শিক্ষার্থী মানসিক আঘাতে ভুগছে। তারা কঠিন স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সম্মুখীন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনের শুরু থেকে গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে ৪৯৭ জন শিক্ষক ও প্রশাসক নিহত এবং ৩ হাজার ৪২৬ জন আহত হয়েছেন এবং পশ্চিম তীরে ৩৫৭ জনেরও বেশি গ্রেফতার হয়েছেন। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ৩৫৩টি সরকারি স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় ভবন ও জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা পরিচালিত ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বোমা হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে। 

এর মধ্যে, গাজা ও পশ্চিম তীরের ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৯৩টি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া, পশ্চিম তীরের ৬৯টি স্কুল এবং ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ও হামলা ও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে। এর বাইরে গাজা উপত্যকায় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ১৩৩টি সরকারি স্কুলও ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

Place your advertisement here
Place your advertisement here