• মঙ্গলবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৯

  • || ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

Find us in facebook

নিয়োগ পরীক্ষায় মায়ের প্রক্সি দিতে এসে মেয়েসহ কারাগারে ৫

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০২২  

Find us in facebook

Find us in facebook

নীলফামারীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের নিয়োগ পরীক্ষায় মোবাইলে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠানো ও স্বাক্ষর মিল না হওয়ার অপরাধে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ।

শুক্রবার নীলফামারী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে তিনজন এবং রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রে দুইজনকে এ সাজা প্রদান করেন দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। 

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, জেলার জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী এলাকার রবিন মোস্তাফিজের মেয়ে আফিফা আফরোজ, একই ইউনিয়নের ওসমান গনির মেয়ে রনজিনা আকতার ও উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের আজিজুল খানের মেয়ে আদুরী খানম। এছাড়াও নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানী ইউনিয়নের যাদুরহাট এলাকার হাবিবুর রহমানের স্ত্রী রাশেদা বেগম ও তার মেয়ে সিমলা আক্তার। রাশেদা ও সিমলা সম্পর্কে মা-মেয়ে বলে জানা গেছে।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন নাহার ও রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রে নীলফামারী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইবনুল আবেদীন দায়িত্ব পালন করেন। 

ইউএনও জেসমিন নাহার বলেন, সরকারি কলেজ কেন্দ্রে জলঢাকার তিন পরীক্ষার্থী মোবাইলে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠানোর অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আফিফা আফরোজকে দুইদিন এবং বাকি দুইজনকে তিনদিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতদের দুপুরে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইবনুল আবেদীন বলেন, রাবেয়া বালিকা বিদ্যা নিকেতনে মা রাশেদা বেগমের পরীক্ষা দিতে বসেছিলেন মেয়ে সিমলা আক্তার। পরীক্ষার্থী রাশেদার স্বাক্ষর মিল না হওয়ায় মেয়ে সিমলা ও মা রাশেদাকে তিনদিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক বলেন, নীলফামারীতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৭৬টি পদের বিপরীতে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। ৫৩৮১ জন আবেদন করলেও শুক্রবার অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় ২১০১ অংশগ্রহণ করেন। 

Place your advertisement here
Place your advertisement here