• মঙ্গলবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৬ ১৪২৭

  • || ০৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা অ্যাপ প্রস্তুত- পলক ভারতের ‘উপহার’ ২০ লাখ টিকা আসছে বুধবার শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই দেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ- রাষ্ট্রপতি কুড়িগ্রামে মুক্তির দুই দিন আগে কারাবন্দির মৃত্যু সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে আরো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের জন্য গঠিত তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় আগে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারত না।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের জন্য গঠিত তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণে গতি বাড়াতে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান এই প্যাকেজের আওতায় সর্বোচ্চ তিনটি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবে। সোমবার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তি বিভাগ। আগে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারত না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়া হয় মূলত ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে।

গত ২০ এপ্রিল প্রণোদনা প্যাকেজটি গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্যাকেজের পুরো টাকাই বাংলাদেশ ব্যাংক জোগান দিচ্ছে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর নিজেদের তহবিল থেকে এই ঋণ দিতে হয় না।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো মাত্র ১ শতাংশ সুদে এই তহবিল থেকে ঋণ পায়। ওই ঋণ আবার ৩.৫ শতাংশ সুদে বিতরণ করা হয় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে। গ্রাহক পর্যায়ে এই ঋণের সুদ পড়ে ৯ শতাংশ।

সর্বশেষ তথ্যমতে, অক্টোবর পর্যন্ত ওই প্যাকেজের আওতায় ৮৫টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান ঋণ পেয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা পেয়েছে ব্যাংকগুলো।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুর ইসলাম বলেন, ‘আগে কেবল একটি ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় অনেক ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত ঋণ পাচ্ছিল না।

‘এখন ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ানোয় ঋণের সীমা পূর্ণ হয়নি এমন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করতে পারবে।’

Place your advertisement here
Place your advertisement here