ব্রেকিং:
রংপুর স্টেশন থেকে কোনো ট্রেন চলবে না। রোববার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার আলমগীর হোসেন। রংপুরের ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে আরও তিনজন বাড়ি ফিরলেন। রোববার (৩১ মে) দুপুরে করোনামুক্ত হওয়ায় ওই তিনজনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে ১ জুন (সোমবার) থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো দুই হাজার ৫৪৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৭ হাজার ১৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন আরো ৪০ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৫০ জন। একদিনের আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যানে এটিই সর্বোচ্চ। ট্রেনের টিকিট শুধু অনলাইনেই বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। বসলো পদ্মাসেতুর ৩০তম স্প্যান: দৃশ্যমান সাড়ে ৪ কিলোমিটার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ছয়জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী, তিনজন গার্মেন্টসকর্মী ও একজন মাওলানা।
  • রোববার   ৩১ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭

  • || ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
করোনা রোধে জনপ্রতিনিধিদের আরো সম্পৃক্তের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব অফিস খুলছে আজ করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে চলবে মোবাইল কোর্ট পঙ্গপালের কারণে বিপর্যয়ের মুখে ভারত-পাকিস্তান দেশেই করোনাভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন আদিতমারীতে সব করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন
২৩

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবিকারক্ষা ও নামাজ আদায় সহ্য হচ্ছে না বিএনপির

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২০ মে ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, লকডাউন কিছুটা শিথিলের কারণে ছোটখাট কিছু দোকানদার বেচাবিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে, মানুষ মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকা রক্ষা, মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় সম্ভবত বিএনপির সহ্য হচ্ছে না। সেই কারণে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির অন্যান্য নেতারা সরকারের এসব পদক্ষেপের সমালোচনা করছেন।

‘লকডাউন শিথিল করে সরকার ভয়াবহ ভুল করেছে’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এ বক্তব্যের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর আমাদের মসজিদগুলোতে আগে সীমিত সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে নামাজ আদায় করা হতো। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে মানুষ যাতে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য লকডাউন কিছুটা শিথিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। লকডাউন কিছুটা শিথিলের কারণে দেশের ছোটখাট দোকানদাররা কিছু বিক্রি করে তাদের বাচ্চাকাচ্চাদের কিছু খাওয়ানোর একটা পথ পাচ্ছে এবং তাদের জীবিকা নির্বাহ করার কিছুটা হলেও সুযোগ পাচ্ছে। অথচ এগুলো নিয়ে বিএনপির নেতারা সমালোচনা করছেন, মনে হচ্ছে এগুলো তাদের সহ্য হচ্ছে না।

আজ বুধবার দুপুরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে চট্টগ্রাম-৭ নির্বাচনী এলাকা (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক) এর সাত শতাধিক মসজিদের প্রায় দেড় হাজার ইমাম মুয়াজ্জিনের মাঝে ইফতার ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণকালে সচিবালয় তেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হবার পর বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এসব ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এনএনকে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা খালেদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শাহজাহান সিকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, জসিম উদ্দিন তালুকদার, মাস্টার আবদুর রউফ, এমরুল করিম রাশেদ, কামাল উদ্দিন চৌধুরী, ও মাওলানা আইয়ুব নুরীসহ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনবৃন্দ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন।

এ ধরণের সমালোচনা না করে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য একসাথে কাজ করার জন্য বিএনপির প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে ভারতে প্রতিদিন ১০০ এর বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করছে সেখানেও বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেখানে এখনো প্রতিদিন শতশত মানুষ মৃত্যুবরণ করছে সেখানেও মানুষের জীবিকার কথা চিন্তা করে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। অথচ আমাদের দেশে কিছুটা শীতিল করা হয়েছে। তবে যেখানে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে সেখানে আবারো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশের মানুষের জীবন রক্ষা নয় জীবিকা রক্ষার জন্যও কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে সরকার দেশের মানুষের জীবন এবং জীবিকা দুটিই রক্ষার্থে কাজ করছে। বাংলাদেশে কোটি কোটি খেটে খাওয়া মানুষ। তারা প্রাত্যহিক উপার্জনের উপর নির্ভরশীল। সেই কথা মাথায় রেখে কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী কিছু দোকানপাট খুলে দিয়ে লকডাউন কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। একই সাথে মানুষ যাতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সেজন্য বারংবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অথচ এগুলো বিএনপির সহ্য হচ্ছে না বলেই গতকাল ফখরুল সাহেব ও আগে বিএনপির অন্যান্য নেতারা সরকারের এই কার্যক্রমের সমালোচনা করেছে।

ড. হাছান মাহমু বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য শুরু থেকে নানাবিদ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশের মানুষকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়ার পাশাপাশি লকডাউন পরিস্থিতিতে দেশের খেটে খাওয়া মানুষের যাতে কষ্ঠ না হয় সে জন্য দেশের ইতিহাসের সবচে বড় ত্রাণ কার্যক্রম তিনি শুরু করেছিলেন, এখনো এটি অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে দেশের একতৃতীয়াংশের বেশি মানুষ সরকারি ত্রাণ সহায়তার আওতায় এসেছে।

তিনি বলেন, একই সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যসহ জনপ্রতিনিধিরা এককোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের আলেম ওলামাদের কথা চিন্তা করে দেশের প্রায় সবগুলো কওমি মাদরাসায় ইতিমধ্যে সরকারি অনুদান দিয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে যাতে আলেম ওলামাদের অসুবিধা না হয় সেটি মাথায় রেখে তিনি এই উদ্যোগ নেন। একই ধারাবাহিকতায় তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজকে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমার নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক এলাকার সমস্ত মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে ইফতার ও ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়েছে।

এ সময় দেশ যাতে করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হয়, বিশ্বের মানুষ যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সেজন্য দেশ এবং বিশ্বের মানুষের জন্য ইমাম মুয়াজ্জিনদের দোয়া করার অনুরোধ জানান তথ্যমন্ত্রী।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর