ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ হাজার ৬৫৯ জনে। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ। রংপুরের লালবাগের একটি ছাত্রীনিবাসে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।
  • মঙ্গলবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১২ ১৪২৭

  • || ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
অনুমোদন পেল দেশে উদ্ভাবিত প্রথম পিসিআর টেস্ট কিট দারিদ্র্যের হার বেড়ে ৪২ শতাংশ হওয়ার তথ্য সঠিক নয় বিরামপুর সীমান্তে আটক মহিষ নিলামে বিক্রি পেট্রলপাম্পে পরিমাপে কম, ছদ্মবেশে ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটি সবচেয়ে বড় উৎসব- প্রধানমন্ত্রী

সৈয়দপুরে ৩৪ দরিদ্র পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

গৃহহীন অসহায় ও দরিদ্র মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় কামারপুকুর ইউনিয়নে বানানো হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ঘর। কেউ থাকেন অন্যের বাড়িতে, কেউ খাসজমিতে, আবার কেউ রাত কাটান রেলস্টেশন বা খোলা আকাশের নিচে। এমন মানুষই হচ্ছেন এসব ঘরের মালিক।

নতুন বছরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ৩৪টি পরিবার এসব ঘর পেতে যাচ্ছে। 

আগামী ২০ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘জমি নেই, ঘর নেই’ এমন অসহায় পরিবারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাবি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ জানান, ৩৪টি গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর। প্রতিটি ঘরে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি ঘরে দুটি শয়নকক্ষ ছাড়াও রয়েছে একটি করে বারান্দা, রান্নাঘর ও বাথরুম। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এর আওতায় সরকারি খাসজমিতে এসব ঘর তৈরি করা হয়েছে।

হতদরিদ্র অসহায় পরিবারগুলোর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। এখনই উল্লসিত ও আনন্দিত অসহায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত পরিবারগুলো। 

তারা বলেন, বৃদ্ধ মা-বাবা ও সন্তানদের নিয়ে রাতযাপনের জন্য ভাঙাচোরা ঝুপড়িঘরে থেকেছি অনেক দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ-সুবিধা করে দিয়েছেন। তিনি আমাদের মায়ের দায়িত্ব পালন করছেন। 

নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যে ঘরগুলো নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। এখন প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ ও পানির ব্যবস্থার জন্য অগভীর নলকূপ বসানোর কাজ চলছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here