ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩৩৯ জনে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৯ ১৪২৭

  • || ০৬ সফর ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
আমরা শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের অপেক্ষায়- প্রধানমন্ত্রী সব মাধ্যমিক স্কুলে হবে ডিজিটাল একাডেমি- প্রধানমন্ত্রী করোনাকালে রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়ছে ইউরোপে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে ২২ লাখের বেশি মানুষ আবাসন শিল্পে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে পদ্মা সেতু
১৬৫৬

সেই বুলেট বিক্ষত বাসগৃহটি আজ স্মারকচিহ্ন আর কবরস্থানটি তীর্থভূমি 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

‘ভাইয়েরা আমার, আজ দু:খ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।’ সাতই মার্চের ভাষণে এভাবেই বক্তৃতা শুরু করেছিলেন বাঙ্গালী জাতির মুক্তির দিশারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে এই মহান নেতার যথাযথ সম্মান আমরা দিতে পারিনি। তৎকালীন সময়ে বাঙ্গালী জাতির মুক্তির জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত যিনি ভেবেছেন সেই মহান নেতাকেই প্রাণ দিতে হয়েছিল জাতির কিছু কুলাঙ্গারের কাছে। জাতি হিসেবে আমরা চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছি এই ঘটনার মধ্য দিয়ে। 

তবে তাঁর এই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে হতবাক হয়েছিল পুরো পৃথিবী। তাঁর ১৯৭৫ সালের ১৬ ই আগস্ট লন্ডনের ‘দি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’ উচ্চারণ করেছিল- ‘এই করুন মৃত্যুই যদি মুজিবের ভাগ্যে অবধারিত ছিল তাহলে বাংলাদেশ জন্মের মোটেই প্রয়োজন ছিল না।’ 

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্যারিসের বিখ্যাত ‘লা মঁদে’ পত্রিকায় খ্যাতিমান সাংবাদিক রবার্ট এসকারপি মন্তব্য করেন- ‘বড় নেতা সেই হয় যে সময়ের সাথে সাথে আরও বড় হতে থাকে। তাকে খুন করে সমাজ থেকে নির্বাসিত করা যায় না। শেখ মুজিবুর রহমান সেই মাপের নেতা।’


বঙ্গবন্ধু তাঁর মেধা এবং যোগ্যতা দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভুলে যাওয়া সম্ভব হলেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়।

টুঙ্গিপাড়ার ছোট্ট খোকা থেকে তিনি নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন একজন ছাত্রনেতা হিসেবে, কৃষকদের কাছে তিনি ছিলেন মুজিব ভাই। এরপর প্রাদেশিক নেতা, রাষ্ট্রনেতা সর্বোপরি বাঙ্গালী জাতির নেতা হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেছিলেন। 

১৯৭৫ সালের ২৮ আগস্ট ‘দি লিসনার’ পত্রিকায় বিসির ব্রায়ান ব্যারন ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন যে- ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে উচ্চতর আসনেই অবস্থান করবেন। তার বুলেট বিক্ষত বাসগৃহটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারকচিহ্ন এবং কবরস্থানটি পূণ্যতীর্থে পরিণত হবে।’ তাঁর সেই বাণী আজ বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
পাঠকের চিন্তা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর