ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. একেএম নুরুন্নবী লাইজু এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন- রমেকের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে রংপুরে ২৫ জন, গাইবান্ধায় ৬, কুড়িগ্রামে ২ এবং লালমনিরহাটে ২ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়। দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ২ হাজার ৩৯১ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯৪ জন।
  • সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু অনুমতি দেয়া পাঁচ বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোভিড-১৯ পরীক্ষা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর ২০২০ সালে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য ৮ নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোজ খবর নিচ্ছেন-পানিসম্পদ উপমন্ত্রী মানবদেহে কোভিড ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগের দাবি রাশিয়ার!
১০৫

সারাবছর চাষযোগ্য তিনগুণ বেশি ফলনশীল পেঁয়াজ `বারি-৫`

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৯  

Find us in facebook

Find us in facebook

উচ্চফলনশীল জাতের পেঁয়াজ উৎপাদন করে দেশের অর্থনীতির জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে মাগুরা আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র। এ পেঁয়াজ প্রচলিত জাতের চেয়ে তিনগুণ ফলনশীল। স্থানীয় জাতের চেয়ে এ পেঁয়াজ ১৫ থেকে ২০ দিন আগে কৃষকের ঘরে ওঠে। ফলে এই পেঁয়াজ এবং এর বীজ চাষে কৃষকের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। সারাবছর চাষযোগ্য এ জাতের পেঁয়াজ উৎপাদন সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের ঘাটতি পূরণ করে রপ্তানিও সম্ভব হবে বলে মনে করছেন এ জাতটির উদ্ভাবক।

জানা গেছে, তিন-চার বছর আগে এই গবেষণা কেন্দ্র উচ্চফলনশীল বারি-৪ ও ৫ জাতের পেঁয়াজ উদ্ভাবন করে। এর মধ্যে বারি-৫ জাতটি সারাবছর চাষযোগ্য। পরবর্তী দুই বছর পরীক্ষামূলকভাবে স্বল্প পরিসরে কৃষকের মধ্যে এ দুটি জাতের বাল্ব (চারা) সরবরাহ করা হয়। কৃষক এ চারা লাগিয়ে প্রচলিত জাতের চেয়ে তিনগুণেরও বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন করেছেন। অধিক উৎপাদনের ফলে লাভজনক হওয়ায় এই কেন্দ্রের সহায়তা ও পরামর্শে গত মৌসুমে কৃষক এই জাতের পেঁয়াজ এবং এর বীজ ব্যাপকভাবে উৎপাদন করেছেন।

এ জাতের উদ্ভাবক ও মাগুরা মসলা গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বারি-৪ ও ৫ চাষে সাধারণ জাতের পেঁয়াজের চেয়ে তিনগুণ বেশি উৎপাদন হয়। সাধারণ জাতের পেঁয়াজ প্রতি হেক্টরে হয় ৭-৮ টন। বারি ৪ ও ৫ উৎপাদন হয় ২৫ থেকে ২৭ টন। এ পেঁয়াজের মান দেশি পেঁয়াজের মতোই, রোগবালাই হয় না। স্বাদ দেশি পেঁয়াজের মতো হওয়ায় কৃষক ভালো দামও পান।

মাগুরা সদরের নালিয়ারডাঙ্গি গ্রামের কৃষক আক্কাস খান বলেন, গত মৌসুমে তিনি ৫০ শতক জমিতে বারি-৪ জাতের পেঁয়াজ লাগিয়ে বাম্পার ফলন পেয়েছেন। তাছাড়া সাধারণ পেঁয়াজের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ দিন আগে ওঠায় কৃষক ভালো দামও পেয়েছেন। এ বছর তিনি তিন একর জমিতে এ পেঁয়াজ চাষ করছেন। একই ধরনের মন্তব্য করেন সদরের রামনগরের মোকছেদ মণ্ডল ও বকুল গাজীসহ একাধিক কৃষক।

সদরের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃষক চান্দ আলী জানান, তিনি মসলা গবেষণা কেন্দ্রের সহযোগিতায় এক বিঘা জমিতে বারি-৪ জাতের পেঁয়াজ বীজ চাষ করেছিলেন। ইতোমধ্যে লক্ষাধিক টাকার বীজ বিক্রি করেছেন। নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে আরও লক্ষাধিক টাকার বীজ বিক্রি হবে বলে তিনি আশা করছেন।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা নিকুঞ্জ মণ্ডল বলেন, এতদিন কৃষকরা স্থানীয় জাতের পেঁয়াজ চাষ করতেন। তবে এবার কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা তিনগুণ ফলনশীল বারি-৪ ও ৫ জাতের পেঁয়াজ চাষ করছেন। এ পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। গত মৌসুমে কৃষকরা এ দুটি জাতের পেঁয়াজ এবং এর বীজ উৎপাদন করে লাভবান হয়েছেন।

জেলা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক জাহিদুল আমিন বলেন, গেল মৌসুমে এ জেলায় ছয় হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে ৯৩ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এ জেলায় বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২০ হাজার টন।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর