ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৪৪ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৬৬৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত হলো মোট ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৮৭ জনের। দিনাজপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ৭ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩৩৫ জনে। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৮ ১৪২৭

  • || ০৬ সফর ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করছে বিএনপি’ ‘জলবায়ু সমস্যা থেকে কেউ দীর্ঘমেয়াদে পালিয়ে থাকতে পারবে না’ দিনাজপুরে মধ্যপাড়া খনিতে তিন শিফটে পাথর উত্তোলন শুরু মাল্টা চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের চাষিরা
১৩০

সন্তানের শেষ আশ্রয়স্থল বাবা

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

বাবা, দুই অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। কিন্তু এই শব্দের বিশালতা সীমাহীন। কারণ বাবা মানেই বটবৃক্ষের ছায়া আর তীব্র রোদে শান্তিদায়ক ছাতা। বাবা মানেই গভীর অন্ধকারে পথ দেখানো দৃশ্যমান এক আলোকরশ্নি। বাবা মানেই এগিয়ে চলার প্রেরণা। বাবা মানেই আবদারের এক অফুরন্ত ভান্ডার। সব মিলিয়ে বাবা অদ্ভুত এক চরিত্র। 
মায়ের বকুনির ভয়ে পালিয়ে বেড়ানো সন্তানের একমাত্র আশ্রয়স্থল থাকেন এই বাবা। বাবা এমন এক শব্দ, এমন এক সম্পর্ক যা কাছে থেকে উপলব্ধি করা কঠিন, একটু আড়াল হলেই বোঝা যায় বাবার মাঝে লুকিয়ে থাকা অদ্ভুত এক মায়াবি প্রকাশ।

বাবা মানেই এক অন্য মানব, যার কাঁধটা অন্য সবার চেয়ে একটু বেশিই চওড়া। আর তাই সংসারের সমস্ত বোঝা তিনি অবলীলায় বয়ে বেড়ান। বাবা সত্যিই অদ্ভুত, কারণ তার পা দুটো অন্য সবার চেয়ে একটু দ্রুতই চলে, তা না হলে কেমন করে এত বাঁধা বিপত্তি সত্বেও দ্রুত সামনে এগিয়ে চলেন তিনি?

বাবা মানেই পাগলামো মাখা মানবদেহ, কারণ পাগল না হলে, কি করে, খেয়ে, না খেয়ে, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করেও হাসিমুখে ঘুরে বেড়ান?বাবা শত শত সাধারণের মাঝেও অসাধারণ হয়ে ওঠা মানবপিন্ড, যার শেষ মুহুর্তটুকু দিয়েও সন্তানকে ভালোবেসে যান অকাতরে। বাবারা সূর্য হন। নিজেদের সবসময় জ্বেলে রেখে, জ্বালিয়ে রেখে শত অন্ধকার থেকে আমাদের আগলে রাখেন। বাবারা আকাশ হন। যে আকাশের নিচে আমরা একটু একটু করে বড় হই, যে আকাশ আমাদের কাছে ভরসার একমাত্র জায়গা, যে আকাশকে দেখে আমরা লড়াই করতে শিখি।

সন্তান বাবার মর্মার্থ্য তখনই বেশি উপলব্ধি করেন যখন সে নিজে বাবা হন। তবু্ও বাবাদের আমরা ভুল বুঝি, আড়ালে বকা দেই, এড়িয়ে চলি। সব সহ্য করে বাবারা অভিনয়টা চালিয়ে যায়। এই হলো আমাদের অভিনেতা বাবা। বাবাদের কোনো চাহিদা নেই, তাদের পেশা যেটাই হোক না কেন তাদের কোনো স্বার্থ নেই। কারণ এটি রক্তের সাথে রক্তের টান। স্বার্থের অনেক উর্ধ্বে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
পাঠকের চিন্তা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর