ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ হাজার ৬৬১ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বুধবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৭

  • || ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
২৭ জানুয়ারি করোনা ভ্যাকসিনেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রংপুরে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নামের স্তম্ভ সব জেলায় ৪-৫ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে- পাপন দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় চাচা ভাতিজাসহ নিহত ৩ কৃষিকে আকর্ষণীয় পেশায় পরিণত করছে `রাইস ট্রান্সপ্লান্টার`

শীতকালে মাথা ব্যাথা? সারাতে যে টিপস গুলো মেনে চলবেন

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

শীতকালে অসুস্থ হওয়া খুব সাধারণ। এই সময়ে অনেকেরই সাধারণ একটি সমস্যা হলো মাথা ব্যাথা। যাদের এমনিতে অন্য সময় মাথা ব্যাথা হয় এই সময় সে মাথা ব্যাথা আরো বেড়ে যায়। কখনো মাইগ্রেনের জন্য বা কখনো সাইনাসের জন্য মাথা ব্যাথা হতে পারে। শীতকালে এই মাথা ব্যাথা থেকে মুক্তির কিছু উপায় জেনে নেওয়া দরকার।

আবহাওয়ার তারতম্য:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শীতকালে মাথা যন্ত্রণা বা মাথা ব্যথা হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। তার কারণ হিসেবে গবেষকরা জানিয়েছেন আবহাওয়া। এই সময়টাতে রোদ বেশিক্ষণ থাকে না। ফলে অ্যাটমোস্ফেরিক প্রেসার এ পরিবর্তন আসে। যার ফলে হেমোডায়নামিল বা শরীরের ভিতরে রক্তচাপে পরিবর্তন হয়। এতে করে মাথা ব্যাথা হয়।

সাইনাস:

সাইনাস হল ফাঁকা গহ্বর বা গর্ত। এটি ভিতর থেকে মিউকাস মেমব্রেন  বা শ্লেষ্মা ঝিল্লি নামে একটি চামড়ার সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই শ্লেষ্মা ঝিল্লি বিভিন্ন সময়ে ইনফেকশন হয়ে বা এতে অ্যালার্জি হয়ে সাইনাস ব্লকেজ তৈরি করে। এ বার ব্লকেজ তৈরি হলে যখন সাইনাসে বায়ু চলাচল করতে পারে না তখন এটি ভিতর থেকে চাপ দিতে শুরু করে এবং যার ফলে মাথা যন্ত্রণা, চোখে তলার নিচে যন্ত্রণা হয়ে থাকে। শীতে এই সমস্যা বেশি হয়।

ঘুমের সমস্যা:

বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, দিন ছোট-বড় হওয়ার সাথেও অনেক সময় মাথা যন্ত্রণার সম্পর্ক থাকতে পারে। শীতকালে দিন ছোট হয়, রাত যেহেতু বড় হয়, তাই ঘুমের যে প্রক্রিয়া থাকে, তাতে পরিবর্তন আসতে পারে।

মুক্তির উপায়:

শীতকালে মাথা ঢেকে রাস্তায় বের হতে হবে। মাথা ও গলায় যেনো ঠান্ডা বসতে না পারে এজন্য টুপি ব্যবহার করা যেতে পারে।

ঘুম:

রোজ আট ঘণ্টা ঠিক ভাবে ঘুমোতে হবে। পাশাপাশি, ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে চলতে হবে।

গরম পানি দিয়ে গোসল:

শীতে একটু গরম পানিতে গোসল করলে পেশি সচল থাকে। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে, অতিরিক্ত গরম পানিতে শরীর খারাপ হতে পারে। ফলে পানির ঠাণ্ডাটা শুধু কাটিয়ে নিতে হবে।

ভাপ:

ঠান্ডা লাগলে গরম পানির ভাপ যাদুকরী ভূমিকা পালন করে। দিনে অন্তত দু'বার ভাপ বা স্টিম নিলে সাইনাস পরিষ্কার থাকবে।

পর্যাপ্ত পানি:

শীতকালে পানি পিপাসা কম পায়। ফলে পানি খাওয়াও কমে যায়। এতে শরীরে নানা সমস্যা হতে পারে। পানির অভাবে মাথা যন্ত্রণাও হতে পারে। 

খাবার:

ঠান্ডা খাবার খাওয়া থেকে অবশ্যই শীতকালে দূরে থাকতে হবে। এছাড়া হলুদ মেশানো দুধ বা আদা দেওয়া চা খাওয়া যেতে পারে যা শরীর গরম রাখে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here