ব্রেকিং:
দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩৭৯ জনে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১৪ ১৪২৭

  • || ১২ সফর ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
মানুষ যেন ভল থাকে সেই কাজটুকু যেন করতে পারি- প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে রংপুরে যুবলীগের খাবার বিতরণ দিনাজপুরে নতুন আরো ৫ জন করোনায় আক্রান্ত দেশ ভালোভাবে চলছে তাই বিএনপির এতো গাত্রদাহ- কাদের করোনা মোকাবেলায় মার্কেল জেসিন্ডাকে ছাড়িয়ে শেখ হাসিনা
৩৪

শিশুদের ডেঙ্গু: কিভাবে বুঝবেন, কী করবেন?

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও ডেঙ্গু জ্বর হচ্ছে। এই সময় বৃষ্টির পানি বিভিন্ন জায়গায় জমে মশার বংশবিস্তার ঘটে। এডিস মশা কামড়ালে ডেঙ্গুর ভাইরাস সুস্থ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তবে শিশুরা বড়দের মতো তাদের সমস্যা কাউকে বলতে পারে না। তাই শিশুর প্রতি বাবা-মায়ের যত্নশীল হতে হবে এই বর্ষার সময়।

ভাইরাস শরীরে প্রবেশের চার থেকে ১০ দিনের মধ্যে নানা ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। তবে শিশুর জ্বর মানেই যে ডেঙ্গু হয়েছে এমন নয়। যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন শিশুর ডেঙ্গু হয়েছে কি না। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ সম্পর্কে- 

> শিশুর মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষুধা মন্দা দেখা দেয়, কিছুই খেতে চায় না। বমি বমি ভাব হয় বা কিছু খেলেই বমি করে দেয়। 

> জ্বরের মাত্রা ১০২ ও ১০৩ ডিগ্রী এর থেকেও বেশি থাকতে পারে। এভাবে জ্বরটা তিন থেকে পাঁচ দিন থাকে।

> মাথাব্যথা, চোখব্যথা, বমি, পেটেব্যথা সঙ্গে পাতলা পায়খানা থাকতে পারে।

> শরীরে দানা দানা র‍্যাশের মতো দেখা দিতে পারে। এসময় শিশু একেবারে নিস্তেজ হয়ে যায়।

> চোখ লাল হয়ে যাওয়া, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হওয়া। এটা মূলত অ্যাফেব্রাইল স্তরে বেশি হয়ে থাকে।

> প্লাটিলেট খুবই কম। অনেক সময় দেখা যায় তিন লাখ থেকে ৪০ হাজারে নেমে যায়।

>  ছয় থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে শিশুর প্রস্রাব না হওয়া ডেঙ্গুর মারাত্মক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি। 

ডেঙ্গুর এই জ্বরকে তিনটি ভাগে ভাগ করেন ডা. আবু তালহা:

> প্রথমত ফেব্রাইল ফেজ- শিশুর ডেঙ্গু জ্বর দুই থেকে তিনদিন বা তার চেয়ে বেশি স্থায়ী হলে।

> দ্বিতীয়ত অ্যাফেব্রাইল ফেজ- এসময় বাচ্চার আর জ্বর থাকে না। সাধারণত এর সময়কাল থাকে দুই থেকে তিনদিন। 

> তৃতীয়ত কনভালিসেন্ট ফেজ- যখন শিশুর শরীরে র‍্যাশ দেখা যায়। এর সময়কাল থাকে ৪-৫ দিন। 

তালহা অ্যাফেব্রাইল ফেজে অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে বলেছেন। কারণ, এই ক্রিটিকেল ফেজে শিশুর জ্বর বা শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার পর রোগটি সংকটপূর্ণ অবস্থায় চলে যেতে পারে। এই সময়ে রোগীর শরীরে প্লাজমা লিকেজ হয়ে বিভিন্ন অংশে জমা হয়ে থাকে।

এ কারণে রোগীর পেট ফুলে যায় বা রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং যার কারণে শিশুদের শক সিনড্রোম হতে পারে। তাই জ্বর সেরে যাওয়ার দুই থেকে তিন দিন শিশুকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন ডা. আবু তালহা।

ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত ভাইরাস রোগ। এই ভাইরাস যদি একবার হয়, সে ভাইরাস দিয়ে পরে হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। দ্বিতীয়বার যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় তখন অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। তাই এসব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর