ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো দুই হাজার ৫২৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। যা একদিনের আক্রান্তের পরিসংখ্যানে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪২ হাজার ৮৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
  • শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
রোববার থেকে গণপরিবহন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে মালিক-শ্রমিকরা লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ টেকনিশিয়ানসহ আরো ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার ঢাবি ছাত্রলীগ নেতার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরে দোয়া মাহফিল মানবিকতার উজ্জল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন লালমনিরহাটের এসপি আবিদা
৩৩

শসার ন্যায্যমূল্য দাবি বীরগঞ্জের কৃষকদের   

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা শসা চাষের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরের প্রায় বেশির ভাগ ফসলি জমিতে শসার চাষ হয়ে থাকে। তবে শিবরামপুর, পলাশবাড়ী ও শতগ্রাম ইউনিয়ন শসার গ্রাম নামেই পরিচিত। গ্রামাঞ্চলের এসব শসা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। প্রতিদিন বীরগঞ্জ উপজেলায় ১৫ থেকে ২০ ট্রাক শসা রাজধানী ঢাকাসহ, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশালসহ অন্যান্য জেলা শহরে নিয়ে যায় ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি শসা শহরের বাজার গুলোতে ৮-১০ টাকায় বিক্রি হলেও কৃষকরা মূল্য পাচ্ছেন মাত্র ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা! অথচ এক বিঘা জমিতে শসা চাষ করতে খরচ পড়ে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে শসার দাম না পেয়ে বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের ঝাড়বাড়ী জয়রাম এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক কৃষক মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে কৃষকরা দাবি জানান, ৫০ কেজি শসা বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৩০ টাকায়! বর্তমান সময়ে সরকারের উচিৎ কৃষকদের দিকে নজর দেয়া। কৃষকরাই দেশকে বাঁচিয়ে রাখে। যদি আমরা খাদ্য শষ্যের দাম না পাই তাহলে চাষাবাদের দিকে আমাদের অনিহা সৃষ্টি হবে। আমরা শসা বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ শসা জমি থেকে তুলতে যে খরচ হচ্ছে সেই খরচের টাকাই উঠছে না।

শতগ্রাম ইউনিয়নের শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার শসা চাষ করে পুরোটাই লোকসান গুণতে হচ্ছে। আমি প্রতি বছরই আড়া থেকে ৩ বিঘা জমিতে শসা চাষ করি। এবারও আড়াই বিঘা জমিতে শসা লাগিয়েছি কিন্তু এবার শসার দাম পানির থেকেও কম। পাইকারিভাবে প্রতি কেজি শসা বিক্রি করতে হচ্ছে ৫০ পয়সা অথবা ১ টাকায়। এতে খরচ তো দূরের কথা আসল টাকাও উঠছে না! শসা চাষী শাকিল আহমেদ বলেন, ‘কষ্টে উৎপাদিত ৫০ কেজির একটি বস্তা শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে আমাদের বুক ফেটে যাচ্ছে! শসার ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজারে দাম না থাকায় খরচের পুরোটাই লোকসানে যাচ্ছে। শসা ছিড়তে যে খরচ হচ্ছে সেই টাকাই উঠছে না। দেশের এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে আমাদের কি হবে বলা যাচ্ছে না। কাঁচাবাজারের দিকে সরকারের নজর দেওয়া উচিৎ বলেও মনে করেন এই কৃষক।

এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে শসা রাজধানীসহ অন্যান্য জেলা শহর গুলোতে যেতে পারছে না। আবার অনেকেই ঘর থেকে বের না হওয়ার কারণেও শসা কিনছে না। এজন্যই শসার দাম এত কম। আমি তারপরেও কৃষকদের বলেছি, তারা যেনো চাহিদা অনুযায়ী শসা তুলেন। দেশের অবস্থা স্বাভাবিক হলে আশা করি শসার দাম বৃদ্ধি পাবে।’

Place your advertisement here
Place your advertisement here
রংপুর বিভাগ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর