• বৃহস্পতিবার   ১৩ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৯ ১৪২৮

  • || ৩০ রমজান ১৪৪২

Find us in facebook

রংপুর অঞ্চলের প্রধানসহ অজ্ঞান পার্টির ৩ সদস্য গ্রেফতার

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোবাইক ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অজ্ঞান পার্টি রংপুর অঞ্চলের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ। এ সময় তাদের থেকে ব্যাটারিচালিত দুটি অটোবাইক, একটি মোটরসাইকেল, সাতটি মোবাইল ও ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গতকাল বুধবার গভীর রাতে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম।

গ্রেফতাররা হলেন, মিঠাপুকুর উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের আব্দুল ওহাবের ছেলে ও অজ্ঞান পার্টি রংপুর অঞ্চলের প্রধান নুর আলম, পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জের রশিদ বেপারীর মেয়ে সাথী আক্তার সুমাইয়া ও বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের স্বপন জমারদারের মেয়ে সাথী আক্তার সুমি।

জেলা গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, অজ্ঞান পার্টির সদস্য সাথী আক্তার ও আক্তার সুমি গত ১২ মার্চ অটোবাইক চালক আব্দুর রাজ্জাককে জুস পান করায়। জুস খাওয়ার পর রাজ্জাক অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে রাস্তার পশে ফেলে অটোবাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন আব্দুর রাজ্জাক মিঠাপুকুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। রাজ্জাক পীরগঞ্জ উপজেলার পদ্মহারপুর গ্রামের মফেজ উদ্দিনের ছেলে।
 
অভিযোগের সূত্র ধরে বুধবার গভীর রাতে মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনী থেকে অজ্ঞান পার্টির রংপুর অঞ্চলের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ব্যাটারিচালিত অটোবাইক, একটি অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেল, সাতটি চোরাই মোবাইল, ৫০ হাজার টাকাসহ চোরাই কাজে ব্যবহৃত ৪টি সেলাইরেঞ্জ, ১টি পাইপরেঞ্জ ও ২টি স্টাররেঞ্জ উদ্ধার করা হয়।

অজ্ঞান পার্টি রংপুর অঞ্চলের প্রধান নূর আলম ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তারা প্রথমে যাত্রী বেশে অটোবাইক, অটোরিকশা বা মোটরসাইকেল ভাড়া করে। তারপর চালকের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে।

এরপর সুবিধামতো স্থানে নিয়ে চালককে ফেলে রেখে অটোবাইক, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, মোবাইল ও টাকাসহ মূল্যবান জিনিস নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই সব জিনিসপত্রের রং পরিবর্তন করে বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করে নেয়। তারা গত দুই মাসে এমন ১৬টির বেশি ঘটনার সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় মিঠাপুকুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Place your advertisement here
Place your advertisement here