ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  • শুক্রবার   ০৫ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪২৭

  • || ২১ রজব ১৪৪২

Find us in facebook
সর্বশেষ:
উন্নয়ন প্রকল্পে বেরোবি ভিসির অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা আসছেন বৃহস্পতিবার করোনা: দেশে আপাতত টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না করোনা: দেশে আপাতত টিকার ট্রায়াল হচ্ছে না প্রথম ধাপে কোভ্যাক্সের এক কোটি ৯ লাখ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

বেরোবিতে ভুয়া নিয়োগপত্রে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ!

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

Find us in facebook

Find us in facebook

ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর ভূক্তভোগীর করা লিখিত অভিযোগপত্রের কপি এবং টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। অভিযোগপত্রটি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তর।

অভিযুক্তরা হলেন- সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের কম্পিউটার অপারেটর শেরেজামান সম্রাট এবং মাস্টাররোল কর্মচারী গুলশান আহমেদ শাওন।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, রংপুরের মিঠাপুকুরের বাসিন্দা মো. রুবেল সাদীকে সেকশন অফিসার-২ পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ১৬ লাখ টাকার চুক্তি করেন তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী। সেই চুক্তি অনুযায়ী তিন ধাপে ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন রুবেল সাদী। বাকী টাকা যোগদানের সময় পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

কিন্তু টাকা নেওয়ার পর চাকরি দিতে টালবাহানা শুরু করে তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এক পর্যায়ে তাদের চাপ প্রয়োগ করলে বাধ্য হয়ে নিয়োগপত্রের একটি ফটোকপি দিয়ে যোগদান করতে বলা হয়। সেই নিয়োগপত্র নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করতে আসলে কর্তৃপক্ষ তাকে জানায় এটি ভুয়া নিয়োগপত্র। পরে টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রুবেলের।

অভিযুক্ত শেরেজামান সম্রাট বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার উপর মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।'

তবে টাকা আদান প্রদানের ভিডিওর বিষয়ে তিনি বলেন, 'রুবেলের সাথে আমার ব্যবসায়িক লেনদেন ছিলো। এখন সেই লেনদেনের ভিডিও প্রকাশ করলে কিছুই করার থাকে না। তবে এর পরিণতি সে পাবে।'

মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও মনিরুজ্জামান পলাশ এবং গুলশান আহমেদ শাওনের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, 'সম্রাটের বিরুদ্ধে এর আগেও এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল, তখন তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এবার যেহেতু তথ্য প্রমাণসহ অভিযোগ পাওয়া গেছে তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।'

Place your advertisement here
Place your advertisement here