ব্রেকিং:
অন্যরকম সেঞ্চুরির বৃত্ত পূরণ করলো বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে পঞ্চগড়ে সাতদিনের ভাষা সৈনিক সুলতান বইমেলা শুরু উত্তর কোরিয়ায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে তা চীনের চেয়েও ভয়াবহ প্রাণঘাতী হতে পারে যথাযথভাবে পতাকা উত্তোলন না করায় রংপুরে দু’টি ব্যাংককে জরিমানা শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ২৫তম স্প্যান বসানোয় সেতুর পৌনে চার কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো ইংরেজি অ্যাকসেন্টে বাংলা বলা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শনিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১০ ১৪২৬   ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Find us in facebook
সর্বশেষ:
গণমানুষের রাজনীতি করতে ব্যর্থ বিএনপি: হাছান মাহমুদ কোরআনের রেফারেন্স দিয়ে জুয়া বন্ধের পূর্ণাঙ্গ রায় মাদারীপুরের শিবচরে রান্নাঘর থেকে লাগা আগুনে নিঃস্ব ১০টি পরিবার ঘরে বসেই পুরনো পণ্য কেনা-বেচার করতে দেশীয় অনলাইন প্লাটফর্ম ‘সোয়্যাপ’ চালু হয়েছে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরে সর্বত্রই বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে:তাপস অবশেষে বিটিআরসিকে একহাজার কোটি টাকা দিচ্ছে গ্রামীণফোন
১৫

বিষ্ময় সৃষ্টি করেছেন নীলফামারীর প্রতিবন্ধী মিম 

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

Find us in facebook

Find us in facebook

ইনজেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে পানির চাপপ্রয়োগ করে ভেকু মেশিন, ড্রোন, কাগজের ফুলসহ অবিকল যন্ত্র তৈরি করে বিষ্ময় সৃষ্টি করেছেন প্রতিবন্ধী মেহেদী হাসান মিম।
মিম নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউপির হাজীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক এরশাদুল ইসলামের ছেলে । 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার সোনারায় ইউপির হাজীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক এরশাদুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে মিম জন্ম থেকেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। 

প্রতিবন্ধী থাকা সত্বেও তাকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি। প্রতিবন্ধী মিমের লেখাপড়ায় প্রবল আগ্রহ থাকায় দারিদ্রতার মধ্যেও লেখাপড়া চালিয়ে যেতেন তার বাবা এরশাদুল।

এসএসসি পাশ করে বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হন মিম। দুই বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দেখে হুবহু যন্ত্রপাতি তৈরি করা, কাগজ দিয়ে মনোমুগ্ধকর ফুল, ড্রোন তৈরি করে বিক্রি করে  লেখাপড়ার খরচসহ দরিদ্র বাবাকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। 

সদ্য ইনজেকশনের ৮টি সিরিজ দিয়ে পানির চাপ প্রয়োগ করে ভেকু (স্কোভিটার মেশিন) তৈরি করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। প্রতিবন্ধী মিম তার নিজের তৈরি ভেকু মেশিন সর্ব সাধারণের জন্যে প্রদর্শন করে বেড়াচ্ছেন।

মিমের বাবা এরশাদুর ইসলাম জানান, ছেলের নতুনত্ব আবিষ্কারে আমি মুগ্ধ। সরকারের দেয়া প্রতিবন্ধী ভাতা,তার আবিষ্কৃত জিনিসপত্র বিক্রি করে কোনো মতে লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যাচ্ছি। ছেলের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে সমাজের বিত্তবানসহ সরকারের সহযোগীতা কামনা করছি।  

– দৈনিক রংপুর নিউজ ডেস্ক –
Place your advertisement here
Place your advertisement here
এই বিভাগের আরো খবর